বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) ইরানের (Iran Football Team) ম্যাচ নিয়ে এমনিই বিতর্কের কমতি নেই। এর মাঝে বিতর্কে ঘি ঢাললেন ইরানের ফুটবলার মহম্মদ মোহেবি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গোলের পর তিনি যা করলেন, তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। এমনকী প্রশ্ন উঠছে, মোহেবিকে কি বিশ্বকাপ থেকে নিষিদ্ধ করা হবে?
ঠিক কী করেছেন ইরান মিডফিল্ডার? আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলসের স্টেডিয়ামে ম্যাচের বয়স তখন ৬৪ মিনিট। ২-১ গোলে পিছিয়ে ছিল ইরান। ডান দিক থেকে রেজাইনের ভাসানো ক্রস মাথা ছুঁইয়ে জালে জড়িয়ে দেন মোহেবি। তারপর কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে গিয়ে সেলিব্রেট। সেটা নিয়েই যত বিতর্ক। দু'হাত দিয়ে বন্দুকের ভঙ্গি করে দর্শকদের দিকে দেখান। এমনিতে যুদ্ধ আবহে আমেরিকার মাটিতে ইরানের খেলতে আসা নিয়ে বিতর্কের কমতি ছিল না। ইরান আদৌ বিশ্বকাপ খেলবে কি না, তাই নিয়ে প্রশ্ন ছিল।
তার মাঝেই বিতর্কিত আচরণ মোহেবির। এই ধরনের আচরণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট কড়া পদক্ষেপ নেয় ফিফা। এমনকী ক্লাব ম্যাচেও বন্দুক সেলিব্রেশন নিষিদ্ধ। সেক্ষেত্রে মোহেবিকে ব্যান করতে পারে ফিফা। সমর্থকদের অনেকেই সেই দাবি করছেন। তবে এখন নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করছেন মোহেবি। তাঁর বক্তব্য, "আমার হঠাৎ এরকম সেলিব্রেশন মাথায় এসেছে। এটা এমনিই সেলিব্রেশন ছিল। সমর্থকদের জন্যই এরকম ভঙ্গি করেছি।"
ম্যাচ খেলার পরই ঘাড়ধাক্কা খেতে হয়েছে ইরান দলকে। ফুটবলার এবং সাপোর্ট স্টাফকে রীতিমতো ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে আমেরিকা থেকে। ম্যাচের পর রিকভারির ন্যূনতম সময়টুকুও পাননি ফুটবলাররা। প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদের রওনা দিতে হয় ১৪০ মাইল পাড়ি দেওয়ার জন্য। শুধুমাত্র ম্যাচের সময়টুকুর জন্য মার্কিন ভিসা পেয়েছে ইরান। বাকি সময়টা অন্য দেশে থাকছে গোটা দল, সেখানেই চলছে অনুশীলন। ম্যাচ শেষ হতেই দলকে বলা হয়, অবিলম্বে আমেরিকা ছাড়তে হবে। ফিরে যেতে হবে বেস ক্যাম্প তিজুয়ানাতে। মেক্সিকোর এই শহরেই অনুশীলন করছে ইরান।
