shono
Advertisement
Lionel Messi

নাকানিচোবানি খাইয়েছিলেন ভোজিনহা, তাঁর পরিবারের জন্য অনন্য উদ্যোগ মেসির!

আর্জেন্তিনীয় মহাতারকা নিজে কখনও এই ঘটনা প্রকাশ্যে আনেননি। নীরবে ভোজিনহার পরিবারকে সাহায্য করেছেন এলএম১০।
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 01:30 PM Jul 23, 2026Updated: 04:35 PM Jul 23, 2026

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে স্পেন। ফলে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বজয়ের স্বাদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। ফলাফলের দুঃখ এড়িয়ে এবার প্রকাশ্যে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের মহানুভবতা। কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহার পরিবারের জন্য অনন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন এলএম১০।

Advertisement

জানা গিয়েছে, নিজ খরচে তিনি কেপ ভার্দের গোলকিপারের পরিবারের চার সদস্যের জন্য টিকিটের ব্যবস্থা করেছিলেন। আর্জেন্টিনার সাংবাদিক ইয়ানিনা লাতোর মনে করেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন আর্থিক কারণে যাঁদের পক্ষে মাঠে গিয়ে খেলা দেখা সম্ভব ছিল না, তাঁদের অনেকের জন্য নিজ খরচে টিকিট কিনেছিলেন মেসি। সেই তালিকায় ছিলেন কেপ ভের্দের গোলকিপার ভোজিনহার পরিবারের চার সদস্যও। মেসির উদ্যোগেই তাঁরা স্পেনের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল গ্যালারি থেকে দেখার সুযোগ পান। তিনি বলেন, "অনেককেই মাঠে বসে খেলা দেখার সুযোগ করে দিয়েছিলেন মেসি। তিনি নিজে টিকিট কিনে তাঁদের সাহায্য করেছেন।"

লাতোরে আরও জানান, "অনেকেই তাঁর কাছে টিকিট চেয়েছিলেন। মেসি অনেক টিকিট কিনেছিলেন। যতটা সম্ভব সবার পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন।" ওই সাংবাদিক আরও জানান, মেসি সাহায্য করতে চেয়েছিলেন সেই সব মানুষকে, যাঁদের পক্ষে অর্থের অভাবে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখা সম্ভব ছিল না। "যাঁরা মাঠে যেতে পারতেন না, তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে তিনি নিজে নিয়ে গিয়েছিলেন। ভোজিনহার পরিবারের সদস্যরাও সেই সুযোগ পেয়েছিলেন। এই ঘটনাটি আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে।" মন্তব্য আর্জেন্তিনীয় সাংবাদিকের।

কেপ ভার্দে গ্রুপ পর্বে চমক দেখিয়ে দু'বারের বিশ্বকাপজয়ী স্পেন ও উরুগুয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ছিল। রাউন্ড অফ ৩২-এর লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে তারা ১১১ মিনিট পর্যন্ত ২-২ সমতায় ছিল। এরপর আর্জেন্টিনা জয়সূচক গোল করে। সেই ম্যাচে ভোজিনহা একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো নাকানিচোবানি খাইয়েছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টেই ৪০ বছর বয়সি গোলরক্ষক ১৮টি সেভ করেন। ৪০ বা তার বেশি বয়সে এক বিশ্বকাপে এর চেয়ে বেশি সেভ করেছেন কেবলমাত্র ইংল্যান্ডের পিটার শিলটন (১৯৯০ সালে ২৮টি) এবং ইটালির দিনো জফ (১৯৮২ সালে ২৭টি)। শেষ ৩২-এর ম্যাচের পর মেসি এবং ভোজিনহাকে সৌহার্দ্য বিনিময় দুনিয়ার মন জয় করে। এলএম১০ তাঁকে আলিঙ্গন করে বলেন, "তুমি অসাধারণ। তোমার জন্য তোমার দেশের গর্বিত হওয়া উচিত।"

এবার ফুটে উঠল মেসির মানবিক দিক। সবচেয়ে বড় বিষয় হল, আর্জেন্তিনীয় মহাতারকা নিজে কখনও এই ঘটনা প্রকাশ্যে আনেননি। নীরবে ভোজিনহার পরিবারকে সাহায্য করেছেন এলএম১০। বিশ্বকাপ চলাকালীন পুরো বিষয়টি ছিল ক্যামেরার আড়ালে। ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের পরই প্রথম এই মহানুভতার কাহিনি সামনে আসে। ফুটবলের মহাতারকা কেন কোটি কোটি মানুষের মনে আলাদা করে জায়গা করে নিয়েছেন, এই ঘটনাই যেন তার উজ্জ্বল উদাহরণ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement