বিশ্বকাপে বিতর্কের পর বিতর্ক! কখনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের 'চাপে' আমেরিকার ফুটবলারের লাল কার্ড প্রত্যাহার। কখনও বা আর্জেন্টিনাকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। অনেকে তো ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সরানোর দাবিও জানিয়েছেন। তবে এরকম কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং আগামী ফিফা নির্বাচনেও প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ইনফান্তিনোই। ২০০টির বেশি দেশের সমর্থন পেতে চলেছেন তিনি।
দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের মধ্যে অধিকাংশ দেশই ইনফান্তিনোকে সমর্থন করেছে। যে ক'টি দেশ এখনও সমর্থন জানিয়ে চিঠি দেয়নি, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল জার্মানি। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ১৮ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়ন দিতে হবে। এর আগে কোনও দেশ চাইলে তাদের সমর্থনের চিঠি প্রত্যাহার করতে বা অন্য কোনও প্রার্থীর পক্ষে পরিবর্তন করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত ইনফান্তিনোই একমাত্র প্রার্থী। তবে কয়েকটি ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ, ইনফান্তিনোকে সমর্থনের জন্য তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইনফান্তিনোকে সরাতে হলে বিরাট কোনও অঘটন দরকার। বিশ্বকাপে যে বিতর্ক হয়েছে, তার প্রভাব কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইউরোপের কয়েকটি 'বড়' দেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ইনফান্তিনোর পুনর্নিবাচনের শুধু ইউরোপের উপর নির্ভরশীল নয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও তাঁকে সমর্থন করছে। কার্যত দেখা গেল, ইউরোপের কয়েকটি দেশের অভিযোগ থাকলেও তারা ইনফান্তিনোকেই চাইছে। ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও বিশ্বকাপ শুরুর অনেক আগেই তাদের সমর্থনের চিঠি পাঠিয়েছে। ফলে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন না হলে টানা চতুর্থ মেয়াদে ফিফার সভাপতি হিসেবে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর দায়িত্বে থাকা প্রায় নিশ্চিত। শনিবার নিউইয়র্কে ফিফার সদস্য দেশগুলোর সভা অনুষ্ঠিত হবে।
সম্প্রতি আমেরিকার ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ড প্রত্যাহারে ইউরোপের ফুটবল সংস্থা উয়েফা প্রকাশ্যে ফিফার সমালোচনা করেছে। ট্রাম্পও স্বীকার করেছেন যে, তিনি বালোগানের শাস্তি প্রত্যাহারের জন্য ফিফার ওপর প্রভাব খাটিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও থাকছেন ইনফান্তিনোই।
