ভারত ০
জিম্বাবোয়ে ১ (প্রিন্স)
ইউনিটি কাপে তৃতীয় স্থান হাতছাড়া ভারতের। শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হয় ভারত ও জিম্বাবোয়ে। ‘দ্য ওয়ারিয়র্স’-এর কঠিন চ্যালেঞ্জ জয় করতে পারল না ‘ব্লু টাইগার্স’। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের থেকে মাত্র ছ’ধাপ এগিয়ে থাকা জিম্বাবোয়ের কাছে ০-১ গোলে হেরে যায় ভারত। ফলে লন্ডন থেকে খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে সন্দেশ ঝিঙ্ঘান, লালিয়ানজুয়ালা ছাংতেদের।
ভারতীয় কোচ জানতেন আফ্রিকান দলটিকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। জিম্বাবোয়ে শারীরিক ও আক্রমণাত্মক ফুটবলে পারদর্শী। ম্যাচে আগে এই বিষয়টি নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ ছিল খালিদ জামিলের মনে। লন্ডনের দ্য ভ্যালি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ভারত। ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে জিম্বাবোয়ের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন প্রিন্স ডিউবে। তবে শুরুতে ভারতের রক্ষণ বেশ সংগঠিতই দেখাচ্ছিল।
ভারতীয় দল বল দখল রেখে খেলতে চাইলেও আক্রমণভাগে তেমন ছাপ ফেলতে পারেনি। দুই উইংয়ে ছাংতে ও বিক্রম প্রতাপ সিংকে রেখে সামনে রহিম আলিকে ব্যবহার করা হলেও প্রথমার্ধে একটা শটও অন টার্গেটে রাখতে পারেনি ভারত। চোটের কারণে রায়ান উইলিয়ামস এদিন নামতে পারেননি। তাঁর মতো স্ট্রাইকারের না থাকায় ভুগতে হল ভারতকে। মাঝমাঠে আকাশ মিশ্র ও নিখিল পূজারিকে দিয়ে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করা হলেও তা খুব একটা সফল হয়নি। বরং দলের বেশিরভাগ আক্রমণই তৈরি হয়েছে রক্ষণভাগ থেকে লম্বা বল তুলে। সেই বলগুলো বাড়িয়েছেন সন্দেশ, অনোয়ার আলি, রাহুল বেকে এবং রিকি লালাওয়াম্মারা।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু সুযোগ পায় ব্লু টাইগার্সরা। ছাংতের শট পোস্টেও লাগে। কিন্তু কিছুতেই সমতায় ফিরতে পারেনি ভারত। অন্যদিকে, জিম্বাবোয়ে শুরু থেকেই অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। বিশেষ করে বাঁদিকের ডিফেন্ডার শেন মারুরোডজা ছিলেন সবচেয়ে উজ্জ্বল। তাঁরই তৈরি করা আক্রমণ থেকে পেনাল্টি পায় জিম্বাবোয়ে। যা থেকে গোল করতে কোনও ভুল করেননি প্রিন্স। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়ে যায় জয়সূচক গোল। প্রথমার্ধের গোলে তৃতীয় স্থান অর্জন করে জিম্বাবোয়ে। টানা দুই ম্যাচে হেরে লন্ডন থেকে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে খালিদ জামিলের ছেলেদের। উল্লেখ্য, প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী জামাইকার কাছে ০-২ গোলে হারতে হয়েছিল ভারতকে।
