পাঞ্জাব ২ (সুঙ্গুসি, ড্যানিয়েল)
মহামেডান ১ (লালরেমসাঙ্গা)
আবারও একটা ম্যাচ, আবারও একটা হার মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের। হারের ডবল হ্যাটট্রিক সাদা-কালো ব্রিগেডের। রেড রোডের ক্লাব যেন অতীতের ছায়া মাত্র। আর সেটাই যেন দিনে দিনে আরও বেশি করে প্রকট হচ্ছে। এবার পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও ১-২ গোলে হেরে গেল মহামেডান। টানা ছয় ম্যাচে হারের মুখ দেখে মেহরাজউদ্দিন ওয়াড়ুর ছেলেদের সামনে এখন অবনমনের ভ্রূকুটি।
শুক্রবার অ্যাওয়ে ম্যাচে তারা মুখোমুখি হয়েছিল পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে। মহামেডান কোচ মেহরাজউদ্দিনের চিন্তা ছিল দলের দুই নির্ভরযোগ্য ফুটবলারকে না পাওয়া। গত ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে শুধু সাত গোল খাওয়াই নয়, পাশাপাশি লাল কার্ড দেখেছিলেন রক্ষণভাগের ফুটবলার জেশপ লালামুয়ানামা। ফলে এই ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যায়নি। ছিলেন না জুমেল আহমেদ মজুমদারও। তাঁদের ছাড়া শুরুটা মন্দ করেননি রায় মহিতোষ, অমরজিৎ সিংরা।
পাঞ্জাবের আক্রমণ সামলে প্রতি আক্রমণ নির্ভর ফুটবলের পরিকল্পনা নিয়েছিলেন মহামেডান ফুটবলাররা। যার ফলও মেলে। ২৯ মিনিটে মিজো ফুটবলার লালরেমসাঙ্গা ফানাইয়ের গোলে এগিয়ে যায় ব্ল্যাক প্যান্থার্সরা। এরপর তেড়েফুঁড়ে ওঠে পাঞ্জাব এফসি। বেশ কয়েকবার গোলের কাছাকাছি চলে গেলেও সজাগ ছিল সাদা-কালো রক্ষণ। ৪৪ মিনিটে নাইজেরীয় স্ট্রাইকার এফিয়ং সুঙ্গুসির দূরপাল্লার শট পোস্টে লেগে প্রতিহত না হলে প্রথমার্ধেই সমতায় ফিরতে পারত পাঞ্জাব। বিরতির আগে আর কোনও গোল হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে যেন ধনুকভাঙা পণ করে নেমেছিলেন পাঞ্জাব ফুটবলাররা। ৪৭ মিনিটে সুঙ্গুসির গোলে সমতায় ফেরে তারা। এর ঠিক পাঁচ মিনিট পর স্প্যানিশ ফরওয়ার্ড ড্যানিয়েল রামিরেজের গোলে ব্যবধান বাড়ায় প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিসের ছেলেরা। এরপর বেশ কয়েকবার সুযোগ পেলেও দুই দলই গোল সংখ্যা বাড়াতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতে মাঠ ছাড়ল পাঞ্জাব। এই জয়ের পর ৬ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এল পাঞ্জাব। অন্যদিকে, হাফ ডজন ম্যাচ হেরে তলানিতে মহামেডান।
