বিশ্বকাপ ফাইনালে (FIFA World Cup 2026 Final) আর্জেন্টিনা ও স্পেনের লড়াইটা ছিল মূলত ফুটবলের। দু-একটি ছোটখাট ঘটনা ছাড়া ম্যাচে দুই দলের ফুটবলাররাই সংযত ছিলেন। রেফারিকেও বেশি কার্ড দেখাতে হয়নি। কিন্তু শেষ বাঁশি বাজতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। মাঠেই দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে তর্ক, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতি শুরু হয়। সেই উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিও।
ম্যাচ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্প্যানিশ ফুটবলাররা জয়ের আনন্দে উৎসব শুরু করেন। অন্যদিকে হতাশ আর্জেন্টিনার কয়েকজন মাঠেই বসে বা শুয়ে পড়েন। এরই মধ্যে মাঠের মাঝখানে দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে প্রথমে তর্কযুদ্ধ শুরু হয়, যা দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এই সংঘর্ষের কেন্দ্রে ছিলেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। ম্যাচে নেমেই অবাঞ্ছিত ট্যাকেলের জন্য তিনি ৫ মিনিটের মধ্যেই হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। শেষ বাঁশির পর প্রথমে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে তাঁর বচসা বাধে।
এক পর্যায়ে গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন তিনি। পরে স্পেনের গাভির সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়িয়ে তাঁকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় তাঁকে সরাসরি লাল কার্ডও দেখানো হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন দুই দলের সাপোর্ট স্টাফ ও কোচিং সদস্যরা। স্কালোনিও নিজের ফুটবলারদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে তার আগে গার্সিয়ার সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। সাধারণত শান্ত স্বভাবের কোচ হিসেবে পরিচিত স্কালোনিকে এমন মেজাজে খুব কমই দেখা গিয়েছে।
এদিকে আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডির সঙ্গে স্পেন অধিনায়ক রদ্রিরও তর্কাতর্কি হয়। যদিও সেই ঘটনা মৌখিক বাক্বিতণ্ডার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছায়নি। শেষ বাঁশির পরের উত্তপ্ত পরিস্থিতিও ফাইনালের আবহে কিছুটা হলেও বিতর্কের চোনা ফেলে দিল।
