ফিফা বিশ্বকাপের আর মাত্র ১১ দিন বাকি। তার আগেই বড় চমক উরুগুয়ের। ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন হেড কোচ মার্সেলো বিয়েলসা। আর সেই দলে জায়গা হয়নি অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজের।
সম্প্রতি অবসর ভেঙে আবার জাতীয় দলে ফিরে বিশ্বকাপ খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন সুয়ারেজ। ভালো ফর্মেও ছিলেন তিনি। ইন্টার মায়ামির হয়ে শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিকও করেন। তবুও শেষ পর্যন্ত কোচের পরিকল্পনায় জায়গা হল না তাঁর। ফলে ২০১০ থেকে ২০২২ পর্যন্ত টানা চারটি বিশ্বকাপ খেলা এই তারকার পঞ্চম বিশ্বকাপের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।
এক সাক্ষাৎকারে সুয়ারেজ বলেছিলেন, “জাতীয় দলের কোচিং স্টাফরা জানে, উরুগুয়ের ডাক এলে আমি কখনও না বলব না। আমি নিজেই একসময় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু আজও যদি দল আমাকে প্রয়োজন মনে করে, আমি সবসময় প্রস্তুত।” কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তন আর হল না। ৩৯ বছর বয়সি এই ফরোয়ার্ডকে স্কোয়াডে না রাখার সিদ্ধান্তে অনেকেই চমকিত। অনেকেরই প্রশ্ন, ৪০ বছর বয়সেও ম্যানুয়েল ন্যুয়ের জার্মানির হয়ে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা করে পারলে সুয়ারেজ কী দোষ করলেন?
উরুগুয়ের স্কোয়াডে বিয়েলসা মাঝমাঠকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। দলে রয়েছেন ৩ জন গোলকিপার, ৮ জন ডিফেন্ডার, ১২ জন মিডফিল্ডার এবং মাত্র ৩ জন ফরোয়ার্ড। এতে স্পষ্ট, মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেই খেলতে চান তিনি। তবে আক্রমণভাগ কিছুটা দুর্বল মনে করা হচ্ছে। দলের তারকাদের মধ্যে নজরে থাকবেন ফেদেরিকো ভালভের্দে। এছাড়াও রয়েছেন রোনাল্ড আরাউহো, হোসে মারিয়া জিমেনেজ, মানুয়েল উগার্তে, ডারউইন নুনেজ ও ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি। সব মিলিয়ে, অভিজ্ঞতার চেয়ে নতুন পরিকল্পনা ও মাঝমাঠের শক্তির উপর ভরসা রেখেই বিশ্বকাপের মঞ্চে নামতে চলেছে উরুগুয়ে। তবে সুয়ারেজের অনুপস্থিতি কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।
