প্রথমবার ডুরান্ড কাপে ছিল পেপারলেস টিকিট। ডার্বিতে অনলাইনে টিকিট কাটার পর আলাদা করে ঝক্কি নিয়ে রিডিম করার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন দুই দলের অধিকাংশ সমর্থক। যার নেপথ্যে ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁর উদ্যোগ। এর সঙ্গে ২৫ জুলাই ম্যাচের দিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আলাদা করে পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ক্রীড়ামন্ত্রী ঘুরে ঘুরে স্টেডিয়ামের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা দেখেন। ইন্দ্রনীল খাঁর এই উদ্যোগ ও পরিকল্পনার জন্য তাঁকে বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাল মোহনবাগান।
সবুজ-মেরুন শিবিরের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই পেপারলেস টিকিট ও স্টেডিয়ামে পানীয় জলের বন্দোবস্তের জন্য দাবি জানানো হয়েছিল। অবশেষে সেই পদক্ষেপ নিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। ডার্বিজয়ের পর সচিব সৃঞ্জয় বোস ও সভাপতি দেবাশিস দত্ত চিঠি লিখে ক্রীড়ামন্ত্রীর দূরদর্শী উদ্যোগকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। মোহনবাগানের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, 'ডিজিটাল টিকিট রিডেম্পশন প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় হাজার হাজার ফুটবলপ্রেমীর জন্য স্টেডিয়ামে প্রবেশ আরও সুবিধাজনক এবং নির্বিঘ্ন হয়েছে। বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থাও একইভাবে প্রশংসার যোগ্য। রাজ্যের ফুটবল সমর্থকদের বৃহত্তর স্বার্থে মোহনবাগান ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে এই দু'টি দাবি জানিয়ে এসেছে। আপনার দ্রুত ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এই দুটি বিষয়ের সমাধান হয়েছে।'
ক্লাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, 'পশ্চিমবঙ্গে ক্রীড়া পরিকাঠামোর উন্নতি ও ফুটবলপ্রেমীদের কল্যাণে এই পদক্ষেপ আপনার অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। আমরা আত্মবিশ্বাসী যে, আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বে আরও অনেক দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান হবে। পশ্চিমবঙ্গে খেলাধূলার অগ্রগতিতে আপনার অব্যাহত সাফল্যের জন্য শুভকামনা জানাই।'
উল্লেখ্য, পেপারলেস টিকিট চালু হওয়ায় সমর্থকদের ভোগান্তি অনেক কমেছে। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস সেই দাবি পূরণ করেননি। স্টেডিয়ামে জলের সমস্যা নিয়েও অভিযোগ বহুদিনের। সেই বিষয়েও আশ্বাস দিয়ে পূরণ করেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ।
