সেমিফাইনালে নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে টাইব্রেকারে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠেছে মোহনবাগান। রবিবার চূড়ান্ত লড়াইয়ে সবুজ-মেরুনের সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু সেই মেগা ফাইনালের আগে বিমান বিভ্রাটে পড়ল মোহনবাগান। টিকিট সমস্যায় জেরবার হয়ে শিলং থেকে কলকাতায় ফিরতে হচ্ছে বেশ কয়েক দফায়।
জানা গিয়েছে, প্রথম একাদশের ৯ জন ফুটবলারেরই কেবল শিলং থেকে কলকাতা ফেরার সরাসরি বিমানের টিকিট মিলেছে। দলের বাকি ফুটবলার এবং সাপোর্ট স্টাফদের প্রায় দু'ঘণ্টার সড়কপথ পেরিয়ে গুয়াহাটি গিয়ে বিমান ধরতে হবে। ফলে দলের প্রত্যেক ফুটবলার একই সময়ে কলকাতায় ফিরতে পারছেন না।
শেষ দফায় সন্ধ্যা ৭টায় শহরে ফিরবেন বেশ কয়েকজন মোহনবাগান ফুটবলার। অর্থাৎ শিলং থেকে কলকাতায় ফেরার পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যাবে। ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে এমন বিভ্রাট যে দলের প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে, তা বলাই বাহুল্য। ডার্বি মানেই আলাদা উত্তেজনা। ময়দানের দুই প্রধান যখন মুখোমুখি হয়, তখন শহরের রং এক্কেবারে পালটে যায়। এমন একটা ম্যাচ বরাবরই স্নায়ুর লড়াই। কিন্তু এমন মহারণের আগে প্রস্তুতির ঠিকমতো সুযোগই পাবে না কোচ প্যানাজিওটিস দিলেমপেরিসের দল। ডার্বির মতো হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে সবচেয়ে জরুরি, প্রস্তুতি। যে কোনও কোচই চান, তাঁর ফুটবলারদের তরতাজা অবস্থায় মাঠে নামাতে। কিন্তু বিধি বাম।
বৃহস্পতিবার রাতে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এদিন দুপুরের মধ্যে কলকাতায় ফেরার কথা ছিল গোটা দলের। কিন্তু বিমানের টিকিটের সমস্যার জন্য তা হচ্ছে না বলেই বেশ কয়েক দফায় কলকাতা ফিরতে হচ্ছে তাঁদের। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডুরান্ড ফাইনালে নামার আগে মাত্র একদিন পুরো দল নিয়ে অনুশীলনের সুযোগ পাবেন কোচ। ঠিক মতো রিকভারিরও সুযোগ পাবেন না জেমি ম্যাকলারেন, লিস্টন কোলাসো, সাহাল আবদুল সামাদরা। দীর্ঘ যাত্রার ধকল সামলে সেই একদিনের অনুশীলনেই ফাইনালের কৌশল ঝালিয়ে নিতে হবে মেরিনার্সদের। যা ডার্বির মতো মহাযুদ্ধের আগে সত্যিই বড় উদ্বেগের মোহনবাগান শিবিরের কাছে।
