জ্যোতিষ মতে সৌন্দর্য, ধনসম্পত্তি এবং প্রেম-প্রীতির কারক গ্রহ হল শুক্র। কোষ্ঠীতে শুক্র শক্তিশালী হলে জীবনে ঐশ্বর্য এবং সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের অভাব হয় না। সুখের সংসার এবং দাম্পত্যে মধুরতার পেছনেও এই গ্রহের ভূমিকা অপরিসীম। জ্যোতিষীদের মতে, বাস্তু মেনে বাড়িতে নির্দিষ্ট কয়েকটি গাছ রোপণ করলেই দূর হয় শুক্রের দোষ। সংসারে স্থায়ী আসন নেন দেবী লক্ষ্মী। কোন কোন উদ্ভিদে উপচে পড়বে সমৃদ্ধি? জানা আছে?
অগ্নিকোণে ডালিম
অগ্নিকোণে ডালিম গাছ
বাস্তুশাস্ত্র অনুসারে ঘরের দক্ষিণ-পূর্ব অর্থাৎ আগ্নেয় কোণে ডালিম গাছ রোপণ করা অত্যন্ত শুভ। বাস্তুবিদদের দাবি, এই স্থানে ডালিম গাছ থাকলে কোষ্ঠীতে শুক্রের অবস্থান মজবুত হয়। স্থাবর সম্পত্তি কেনাবেচার বাধা কাটে। আর্থিক টানাপোড়েন মিটে গিয়ে জীবনে ভৌত সুখের প্রসার ঘটে।
ঈশান কোণে কর্পূর
ঈশান কোণে কর্পূর গাছ
বাড়ির ঈশান কোণ বা উত্তর দিকে কর্পূর গাছ লাগানো শুভ বলে বিবেচিত হয়। এর সুবাসে প্রাঙ্গণের সমস্ত অশুভ শক্তি বা বাস্তুদোষ দূর হয়। গৃহে ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার ঘটে। এই উদ্ভিদের উপস্থিতিতে গ্রহরাজ শুক্র সুপ্রসন্ন হন। গৃহস্থের ভাণ্ডার ধনধান্যে ভরে ওঠে।
আগ্নেয় কোণে গোলাপ
গোলাপের সুবাসে লক্ষ্মীলাভ
বাড়ির আগ্নেয় কোণে লাল গোলাপের চারা রোপণ করলে শুক্রের শুভ প্রভাব বৃদ্ধি পায়। প্রতি শুক্রবার দেবী লক্ষ্মীর চরণে তাজা গোলাপ নিবেদন করলে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় থাকে। তবে খেয়াল রাখবেন, মূল ফটকের সামনে ভুলেও এই কাঁটাযুক্ত গাছ বসাবেন না।
দক্ষিণ-পূর্ব দিকে তুলসী
তুলসীতে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি
বাস্তুশাস্ত্রে তুলসীকে পরম পবিত্র বলে মনে করা হয়। কারণ এতে স্বয়ং দেবী লক্ষ্মী বাস করেন। ঘরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে তুলসী গাছ রাখলে শুক্রের শুভ শক্তি সক্রিয় হয়ে ওঠে। সংসারের অশান্তি দূর হয়ে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়।
উত্তর দিকে জবা
জবার গুণে গ্রহশান্তি
বাড়ির পূর্ব বা উত্তর দিকে জবা গাছের উপস্থিতি নবগ্রহের অশুভ প্রভাবকে প্রশমিত করে। এই উদ্ভিদ শুক্রের শক্তিকে ত্বরান্বিত করে। নিয়মিত জবা ফুল ফুটলে পরিবারের অর্থকষ্ট দূর হয়। সুখ-শান্তি বজায় থাকে।
