প্রবল বৃষ্টির জেরে নাজেহাল অবস্থা মুম্বইয়ের (Mumbai Rain)। জায়গায় জায়গায় ধস, বাড়ি ভাঙা ও গাছ পড়ে অন্তত ১০ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। জলমগ্ন বহু এলাকা। শুধু তাই নয়, উদ্বোধনের মাত্র ২ মাসের মধ্যেই ধসের কারণে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মুম্বই-পুণে এক্সপ্রেসওয়ের ২ নম্বর টানেল। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এই রুটের যান চলাচল। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট।
প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, বৃষ্টির কারণে কুরলায় রাস্তার পাশে দোকানে গাছ উপড়ে পড়ে মৃত্যু হয়েছে এক বৃদ্ধের। খোলা ম্যানহোলে পড়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। নবি মুম্বইয়ে জলপ্রপাতে নেমে মৃত্যু হয় দুই যুবকের। বৃষ্টিতে জল বেড়ে যাওয়ায় এই জলপ্রপাতে নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এছাড়া লোহাগড় দুর্গের কাছে পাটন গ্রামে ধসের জেরে একটি পরিবার আটকে পড়েছে বলে খবর। তাঁদের উদ্ধারে নেমেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এছাড়াও শহরের একাধিক জায়গায় দুর্ঘটনার জেরে অন্তত ৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
মুম্বই-পুনে এক্সপ্রেসওয়ের ১৩.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেল উদ্বোধন করা হয়েছিল ২৬ মে। খান্ডালা ঘাট এলাকা এড়িয়ে যাতায়াতের সুবিধায় তৈরি এই টানেলে ধসের কারণে পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে।
প্রবল বৃষ্টির জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে পুণে-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়ের ২ নম্বর টানেল। মুম্বই-পুনে এক্সপ্রেসওয়ের ১৩.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই টানেল উদ্বোধন করা হয়েছিল ২৬ মে। খান্ডালা ঘাট এলাকা এড়িয়ে যাতায়াতের সুবিধায় তৈরি এই টানেলে ধসের কারণে পুরোপুরি বন্ধ করা হয়েছে। বাস, ট্রাক ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে অন্য রাস্তায়। মুম্বইগামী রাস্তা বন্ধ থাকায় যানবাহনগুলোকে লোনাভালার ভেতর দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, আগামী দিনে বৃষ্টির প্রকোপ আরও বাড়বে।
থানে, পালঘর এবং রায়গড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। মুম্বইয়ে জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া-সহ অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ব্যাপক দুর্যোগের আশঙ্কায় এইসব এলাকার সমস্ত স্কুল-কলেজে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ৬ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করেছে মুম্বই বিশ্ববিদ্যালয়। বৃষ্টিতে রেললাইন ডুবে যাওয়ায় সেন্ট্রাল রেলের মুম্বই ডিভিশনের একাধিক ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে অন্তত ১৬টি ট্রেন বাতিল এবং আরও নয়টি ট্রেনের পথ পরিবর্তন করা হয়েছে।
