বড়সড় ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মণিপুর। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.২। মঙ্গলবার সকাল ৬টা নাগাদ কেঁপে ওঠে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্য। জানা যাচ্ছে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মণিপুরের কামজং জেলা। কম্পনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে অসম-সহ প্রায় গোটা উত্তর-পূর্বে তা অনুভূত হয়। ঘটনার জেরে এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ন্যশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির রিপোর্ট অনুযায়ী, এদিন সকাল ৬টা নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মণিপুরের কামজং জেলা। মাটি থেকে ৬২ কিলোমিটার গভীরে। ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই ভূমিকম্পের জেরে প্রভাবিত হয় গোটা উত্তর-পূর্ব। অসমের পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা ও মেঘালয়েও অনুভূত হয় কম্পন। এমনিতেই গত কয়েক বছর ধরে হিংসাবিধ্বস্ত মণিপুর। এরই মাঝে সাতসকালে এই ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্কে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বহু মানুষ। যদিও আশার কথা এটাই যে বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এই ঘটনায়।
ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মণিপুরের কামজং জেলা। মাটি থেকে ৬২ কিলোমিটার গভীরে। ক্ষয়ক্ষতি না হলেও এই ভূমিকম্পের জেরে প্রভাবিত হয় গোটা উত্তর-পূর্ব।
উল্লেখ্য, বারবার উত্তর-পূর্বে ভূমিকম্পের ঘটনায় আশঙ্কার মেঘ দেখছেন বিজ্ঞানীরা। জানা যায়, টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের জেরে এইসব অঞ্চল রীতিমতো ভূমিকম্পপ্রবণ। এই অঞ্চলে ভারতীয় প্লেটটি উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে ইউরেশীয় প্লেটের নিচে প্রবেশ করছে। যার ফলে হিমালয় অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্বে তীব্র চাপ ও ভূকম্পের সৃষ্টি হয়। এই অঞ্চলে একাধিক সক্রিয় ফল্ট লাইন রয়েছে। যার জেরে প্রায়শই এখানে মৃদু বা মাঝারি কম্পন দেখা দেয়। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে সর্বোচ্চ ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল বা 'জোন ৫' (Zone V) এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
