shono
Advertisement
Abhishek Banerjee

'বিদ্রোহী' ধাক্কায় বিপর্যস্ত তৃণমূল! স্পিকারকে চিঠি দল বাঁচাতে 'মরিয়া' অভিষেকের

চিঠি দিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে চিঠি দিয়েছেন তিনি।
Published By: Subhankar PatraPosted: 06:28 PM Jun 19, 2026Updated: 07:31 PM Jun 19, 2026

লোকসভায় তৃণমূলের ২০ জন সাংসদ গিয়েছে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া পার্টিতে। বাকি মাত্র ৮। 'বিদ্রোহী'রা প্রতীক দাবি করতে পারেন। তার আগে দল বাঁচাতে 'মরিয়া' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। শুক্রবার ২০ জন সাংসদের সদস্য পদ বাতিলের দাবি জানিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে পৃথক চিঠি দিয়েছেন তিনি। বৈঠকের পর অভিষেক জানালেন, "সংবিধানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, আগে থেকে একটি দলে যুক্ত থাকার পর অন্য দলে গেলে সেই দলের সদস্য পদ খারিজ হয়ে যাবে। সেই হিসাবে তৃণমূলের প্রতীকে জিতে আসা লোকসভার সদস্য পদ বাতিল হওয়ারই কথা।"

Advertisement

যে কোনও রাজনৈতিক দলের দু'টি অংশ থাকে। একটি পরিষদীয় (বিধানসভা ও লোকসভা)। অন্যটি সাংগাঠনিক। নিয়ম অনুযায়ী, এই দুই অংশের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন যাঁদের কাছে সেই তাঁরাই দলের প্রতীক ও সমস্ত নিয়ন্ত্রণ পান।

তৃণমূলের প্রতীক দাবি করা নিয়ে অভিষেক জানিয়েছেন, সংবিধানে লেখা রয়েছে দলের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলেই তবে প্রতীক দাবি করা যায়। তাঁর যুক্তি জাতীয় কর্মসমিতি, রাজ্য কমিটি, পুরো তৃণমূল কংগ্রেসের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলে তবেই প্রতীক দাবি করা যাবে।  তিনি বলেন, "শুধুমাত্র দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ অন্যদলে চলে গেলে, প্রতীক দাবি করা যায় না। তাঁরা সদস্যপদ বাতিলের আইনে পড়ে। আমি লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের দলনেতা হিসাবে সাংসদদের সদস্য পদ বাতিলের ২০টি আলাদা চিঠি দিয়েছি। তিন মাস অথবা চার মাসের মধ্যে স্পিকারকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের সমস্ত রায়ও জমা দিয়ে এসেছি। সব রায়ই এই সাংসদদের বিরুদ্ধে রয়েছে। এই বিদ্রোহী সাংসদের মান-সম্মান থাকলে নিজের পদ ছেড়ে দিন। নির্বাচন হবে সাধারণ মানুষ জবাব দেবে।" অভিষেকের আরও দাবি, বিদ্রোহী সাংসদরা সংবিধান ও মানুষকে আপমান করে যে কাজ করেছেন, বাংলার মানুষ তাঁদের কোনও দিন ক্ষমা করবেন না। 

যে কোনও রাজনৈতিক দলের দু'টি অংশ থাকে। একটি পরিষদীয় (বিধানসভা ও লোকসভা)। অন্যটি সাংগাঠনিক। নিয়ম অনুযায়ী, এই দুই অংশের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন যাঁদের কাছে সেই তাঁরাই দলের প্রতীক ও সমস্ত নিয়ন্ত্রণ পান। অভিষেকের যুক্তি, তিনি জানতে পেরেছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী অংশের কেউ কেউ নতুন দলের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, তাঁরা তৃণমূূলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন না। অভিষেক বলেন, "একসঙ্গে তো দু'টি দলের সদস্য থাকা যায় না। যাঁরা অন্য দলে গিয়েছেন তাঁরা তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী। মান-সম্মান থাকলে তাঁরা সাংসদের পদ থেকে পদত্যাগ করুন। নির্বাচনে বেইমানদের বাংলার মানুুষ জবাব দেবে।"

নির্বাচনে তৃণমূূলের ভরাডুবির পর সাংসদরা বিদ্রোহী হয়েছেন। ২০ জন সাংসদ অন্য দলের সঙ্গে মিশে গিয়েছেন। সেই এনসিপিআই ত্রিপুরার দল বলে জানা গিয়েছে। এই বিদ্রোহী সাংসদরা আবার আলাদা ব্লক হিসাবে নিজেদের দাবি করে স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেছেন। পাশাপাশি সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন তাঁদের কাছে আছে বলে তৃণমূলের প্রতীক দাবি করবেন বলে দাবি। সেই দাবি পূর্ণতা পেলে তৃণমূলের প্রতীক চলে যাবে বিদ্রোহীদের হাতে। দল ও প্রতীক বাঁচাতে মরিয়া অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ, শুক্রবার দেখা করলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে। সেখানে তিনি উলটে বিদ্রোহী সাংসদের সদস্য পদ  বাতিলের দাবি তুলেছেন। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement