রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ খোয়ানোর পর সরসরি আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিশানা করেছেন রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। সোশাল মিডিয়ায় 'বিদ্রোহী' ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। এর পরই পালটা বিবৃতি দিল আপ। দলটির জাতীয় মিডিয়াপ্রধান অনুরাগ ধান্ডার সাফাই, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পান রাঘব। সেই কারণেই তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়েছে।
নানা কারণে রাঘবের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছিল দলের। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার রাঘবকে দলের ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরায় আপ। এমনকী আপের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, সংসদে তাঁদের দলের জন্য বরাদ্দ সময়ে যেন রাঘবকে বলতে না দেওয়া হয়। দলের এই সিদ্ধান্ত যে তিনি মানতে পারেননি সেটা শুক্রবার সকালেই স্পষ্ট করে দিলেন রাঘব। এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি বুঝতে পারছি না কেন আমার কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে, আমি তো সাধারণ মানুষের কথা বলি। তাতে আম আদমির লাভ হয়। তাতে আম আদমি পার্টির সমস্যাটা ঠিক কোথায়? ওরা কেন আমার কণ্ঠরোধ করছে। মানুষের কথা বলা কি অপরাধ?” রাঘবের সাফ কথা, “আমাকে হয়তো নীরব করা যাবে, কিন্তু হারানো যাবে না। মানুষের পাশে থাকব। মানুষের কথা বলব।”
তড়িঘড়ি রাঘবের এই বার্তার জবাব দিয়েছে আপ। দলটির জাতীয় মিডিয়াপ্রধান অনুরাগ ধান্ডার রাঘবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "গত কয়েক বছর ধরে তুমি ভীত হয়ে পড়েছ রাঘব। তুমি মোদির বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পাও। তুমি দেশের আসল সমস্যাগুলো তুলে ধরতে ভয় পাও।" ধান্ডা যোগ করেন, "আমরা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সৈনিক। নির্ভীকতাই আমাদের প্রধান পরিচয়। যদি কেউ নরেন্দ্র মোদিকে ভয় পায়, তবে সে কি করে দেশের জন্য লড়বে?"
ধান্ডার আরও বক্তব্য, সংসদে কথা বলার জন্য দল সীমিত সময় পায়। সেই সময় গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয় তুলে ধরার বদলে রাঘব গুরুত্বহীন বিষয়ে কথা বলতেন। ধান্ডা বলেন, "ওই সময়ে আমরা হয় দেশকে বাঁচানোর জন্য লড়াই করতে পারি, অথবা বিমানবন্দরের ক্যান্টিনে শিঙাড়ার দাম কমানোর কথা বলতে পারি।" সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর উল্লেখ করে ধান্ডা বলেন, গুজরাটে আপ কর্মীরা গ্রেপ্তার হলেও চাড্ডা সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেননি।
