shono
Advertisement

Breaking News

Arunachal Pradesh

অরুণাচলে 'ড্রাগনের' কুনজর, নয়া মানচিত্রে এলএসি সংলগ্ন ২৭টি এলাকার নামবদল দিল্লির

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই বিষয়ে বিবৃতি জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, 'অরুণাচল প্রদেশের সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে ভারত সরকারের সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে এই মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:17 PM Aug 08, 2026Updated: 05:17 PM Aug 08, 2026

অরুণাচলে চিনের চোখ রাঙানির পালটা জবাব দিল ভারত। ড্রাগনের চোখে চোখ রেখে এবার অরুণাচলের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় অবস্থিত চিন অধিকৃত তিব্বতের ২৭টি জায়গার নামবদল করল নয়াদিল্লি। সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে অরুণাচল প্রদেশের নয়া মানচিত্রে এই নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ম্যাকমোহন লাইনের এপারে যেভাবে একের পর এক জায়গার নামবদল করেছে চিন, তারই পালটা এই পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এই বিষয়ে বিবৃতি জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, 'অরুণাচল প্রদেশের সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে ভারত সরকারের সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার তরফে এই মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে মোট ২৭টি জায়গা ও সেখানকার বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা হয়েছে।' কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের সার্ভে অব ইন্ডিয়ার মানচিত্রে আনুষ্ঠানিক ভাবে এগুলি চিহ্নিত করার উদ্দেশ্য হল, জায়গাগুলির স্বীকৃতি সহজ করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা।

যে ২৭টি জায়গার নামবদল করা হয়েছে তার মধ্যে একটি স্মৃতিস্তম্ভ। বাকিগুলির মধ্যে রয়েছে সুবানসিরি জেলার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ৩টি সীমান্ত গ্রাম লংজু, মাজা ও বিসা।

জানা যাচ্ছে, যে ২৭টি জায়গার নামবদল করা হয়েছে তার মধ্যে একটি স্মৃতিস্তম্ভ। বাকিগুলির মধ্যে রয়েছে সুবানসিরি জেলার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ৩টি সীমান্ত গ্রাম লংজু, মাজা ও বিসা। ম্যাকমোহন লাইন বরাবর জোলা, রিজালা এবং পুকুর লা নামে তিনটি গিরিপথও রয়েছে এই তালিকায়। ১৯৬২ সালের যুদ্ধক্ষেত্র থাগ লা গিরিপথটি তাওয়াং জেলার সীমান্তে অবস্থিত। যে এলাকাগুলিকে মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এগুলি ভারতের সামরিক মানচিত্রে রয়েছে। এমনকি ১৯৬২ সালের পুরোনো মানচিত্রেও আগে থেকেই চিহ্নিত করা আছে। তাৎপর্যপূর্ন বিষয় হল, এই তালিকায় রয়েছে এলএসি সংলগ্ন ‘বিতর্কিত’ গ্রাম লংজু। যা ১৯৫৯ সাল থেকে চিনের দখলে রয়েছে, কিন্তু নয়াদিল্লির দাবি ওই গ্রাম ভারতীয় ভূখণ্ডের অন্তর্গত।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে অরুণাচলের একের পর এক এলাকা নিজেদের বলে দাবি করে মানচিত্র প্রকাশ করে চলেছে চিন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ভারতের আপত্তি উড়িয়ে অরুণাচল প্রদেশের উপর নিজের অধিকার দেখাতে এলএসি বরাবর ৩০টি জায়গার নামবদল করে চিন। যার মধ্যে ছিল ১১টি আবাসিক এলাকা, ১২টি পাহাড়, চারটি নদী, একটি হ্রদ, একটি গিরিপথ এবং একটি উপত্যকা। এরই পালটা জবাবে চিন অধিকৃত তিব্বতের ২৭টি এলাকা মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করল ভারত।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement