সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মৃত সন্তানকে ব্যাগে ভরে ডিএম অফিসে হাজির বাবা। অভিযোগ, স্ত্রীর যতই বেড়েছে প্রসব বেদনা, ততই প্রসবের খরচ বাড়িয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ! এখানেই শেষ নয়। প্রসূতিকে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে রাস্তায়। সেখানেই মৃত সন্তান প্রসব করে প্রসূতি। অভিযোগ পেয়েই হাসপাতাল সিল করে দিলেন জেলা শাসক। শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরিতে ঘটে গেল এমনই অমানবিক ঘটনা।
মৃত সদ্যোজাতর বাবা বিপিন গুপ্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রসূতি স্ত্রীকে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানোর সময় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল নরম্যাল ডেলিভারির জন্য ১০ হাজার টাকা ও সিজারিয়ান প্রসবের জন্য ১২ হাজার টাকা মতো খরচ হতে পারে। কিন্তু যতই বিপিনের স্ত্রী-র প্রসব বেদনা বেড়েছে, ততই খরচের অঙ্ক বাড়িয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই মতো খানিকটা টাকা জোগাড়ও করেছিলেন বিপিন। কিন্তু এরপরও তাঁর অসহায়তার সুযোগ নিয়ে অপারেশনের জন্য খরচের অঙ্ক বাড়িয়েছে হাসপাতালের কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত টাকা দিতে না পারায় অসুস্থ প্রসূতিকে ছুঁড়ে ফেলা হয়। সেখানেই তাঁর স্ত্রী মৃত সন্তান প্রসব করে। এমনটাই অভিযোগ করছেন বিপিন গুপ্তা।
এরপরই মৃত সদ্যোজাতকে ব্যাগে ভরে জেলা শাসকের দপ্তরে পৌঁছন অভিযোগকারী। চাঞ্চল্যকর অভিযোগ পেয়েই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ওই হাসপাতালে পৌছন অতিরিক্ত জেলাশাসক এ কে রস্তোগি। অন্য প্রসূতিদের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁদের জেলা মহিলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দেন। ইতিমধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালটি সিল করে দেওয়া হয়েছে। বিষয় এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানানোও হয়েছে লখিমপুর খেরির জেলাশাসক দপ্তরের তরফে।
