shono
Advertisement
Tamil Nadu

বিজয়ের শপথে বন্দে মাতরম সঙ্গীত, কেন্দ্রের নির্দেশ মেনে তামিলভূমে বঙ্কিমবরণ টিভিকের

রবিবার তামিলভূমে বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর মতো নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বাজানো হয় জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’। এরপর যথাক্রমে বাজে জাতীয় সঙ্গীত 'জন-গণ-মন' এবং তামিলনাড়ুর রাজ্য সঙ্গীত 'তামিল থাই ভালথু'।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:43 PM May 10, 2026Updated: 05:43 PM May 10, 2026

দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে রবিবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন টিভিকে থলপতি বিজয়। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এই শপথ অনুষ্ঠানে তামিলভূমে বাজল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরম সঙ্গীত। কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। তবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের উপস্থিতিতে বঙ্গে বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হলেও সেখানে ব্রাত্য ছিল বন্দে মাতরম সঙ্গীত।

Advertisement

গত জানুয়ারি মাসে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’কে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট বৈঠকে এমনই একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। যা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয় রাজনৈতিক বিতর্কও। বিরোধিতায় সরব হতে দেখা যায় কংগ্রেসকে। তবে বিতর্ক পিছনে ফেলে রবিবার তামিলভূমে বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর মতো নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বাজানো হয় জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’। এরপর যথাক্রমে বাজে জাতীয় সঙ্গীত 'জন-গণ-মন' এবং তামিলনাড়ুর রাজ্য সঙ্গীত 'তামিল থাই ভালথু'।

গত জানুয়ারি মাসে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র সমমর্যাদা দেওয়া হয়েছে জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’কে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ক্যাবিনেট বৈঠকে এমনই একটি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, এতদিন ইচ্ছানুযায়ী গাওয়া হত ১৮৮২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বন্দে মাতরম সঙ্গীত। তবে গত ২৮ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে নির্দেশিকা দিয়ে জানানো হয়, সরকারি অনুষ্ঠানে মূল 'বন্দে মাতরম'-এর ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে। এতদিন দুটি স্তবক গাওয়ার প্রথা ছিল। জানা গিয়েছে, জাতীয় সঙ্গীত যে আইনি কাঠামোর সুরক্ষার আওতাভুক্ত, এবার সেই সুরক্ষা পেতে চলেছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সঙ্গীতটিও। আর সেই কারণেই ‘জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইন’-এর সংশোধনীতে অনুমোদন করা হয়েছে। এই আইন এখনও পর্যন্ত প্রযোজ্য জাতীয় পতাকা, সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননার ক্ষেত্রে। এবার এতে সংযোজিত হতে চলেছে বন্দেমাতরমও! আইন অনুসারে, এই গান গাওয়ার সময় তা প্রতিহত বা ব্যাহত করলে হতে পারে জেল কিংবা জরিমানা অথবা উভয়ই। জেলের ক্ষেত্রে তিন বছরের সর্বোচ্চ কারাবাসের সাজা হতে পারে। কেউ পরে ফের একই অপরাধ করলে আরও একবছরের জেল হবে।

কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের বিরোধিতায় সরব হয়েছিল বিরোধী শিবির। গত মাসে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নির্দেশিকাকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি অপমান বলে দাবি করেন। তাঁর যুক্তি ছিল রবি ঠাকুরের লেখা জাতীয় সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম’-এর পরে বাজানো উচিত নয়। নানাবিধ বিতর্কের মাঝেই রবিবার বিজয়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বঙ্কিমকে বরণ করে বাজল বন্দে মাতরম সঙ্গীত। অদ্ভুতভাবে খোদ মোদি-শাহের উপস্থিতিতে শনিবার বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে শোনা গেল না জাতীয় স্তোত্র।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement