shono
Advertisement
Vande Mataram

স্বাধীনতা দিবসে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা সোনিয়া-রাহুলের! ভিডিও ভাইরাল হতেই কী বলল কংগ্রেস?

এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়েছেন রাহুল, সোনিয়া, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ হাত শিবিরের শীর্ষ নেতারা। শুধু তাই নয়, সেখানে রয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরাও।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 03:13 PM Aug 15, 2026Updated: 03:58 PM Aug 15, 2026

স্বাধীনতা দিবসে দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে। গোটা বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। সুর চড়িয়েছে বিজেপিও। তবে গোটা অভিযোগ খণ্ডন করেছে হাত শিবির।

Advertisement

এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়েছেন রাহুল, সোনিয়া, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ হাত শিবিরের শীর্ষ নেতারা। শুধু তাই নয়, সেখানে রয়েছেন কংগ্রেস কর্মীরাও। অনুষ্ঠানের একটি পর্যায়ে জাতীয় স্তোত্র 'বন্দে মাতরম' পরিবেশন করেন কয়েকজন তরুণী। সেই সময় সোনিয়া এমন কিছু অঙ্গভঙ্গি করেন, যা দেখে মনে হচ্ছে তিনি কর্মীদের ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বন্ধ করার নির্দেশ দিচ্ছেন। এরপর রাহুলকেও একই ধরনের অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়। সেই দৃশ্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। জাতীয় গানের প্রতি অসম্মানের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের অভিযোগ, ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার সময় সোনিয়াকে অসন্তুষ্ট দেখাচ্ছিল। জাতীয় স্তোত্রের শুরুর কয়েকটি স্তবক গাওয়ার পরই রাহুল তা থামানোর ইঙ্গিত করছিলেন।

তবে বিতর্ক বাড়তেই মুখ খুলেছে হাত শিবির। সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, "জাতীয় গান পরিবেশনের রীতিটি প্রায় এক শতাব্দী পুরনো। দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনেই চলে আসছে। বন্দে মাতরম নিয়ে কোনও বিতর্কই নেই। ১৯৩৭ সালের অক্টোবরে মহাত্মা গান্ধী, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, সি. রাজাগোপালাচারী এবং পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুকে নিয়ে গঠিত কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, দলীয় অনুষ্ঠানগুলিতে জাতীয় স্তোত্রের শুরুর অংশটুকুই গাওয়া হবে। সেই প্রথা আজও নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে আসছে। এখানে বিতর্কের কিছু নেই।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement