ফোন নম্বর গোপন করেই এবার দিব্যি চ্যাট করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপে। নতুন নিয়ম চালু করতে চলেছে মেটা। কিন্তু এই নিয়মটি নিয়ে এবার বিশদে ভাবনাচিন্তা শুরু করতে চলেছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, নতুন নিয়মকে হাতিয়ার করে অনলাইনে জালিয়াতি বাড়তে পারে। গ্রাহকদের চ্যাটের গোপনীয়তা নিয়েও কেন্দ্রের সংশয় রয়েছে বলে সূত্রের খবর। শোনা যাচ্ছে, আপাতত বেসরকারিভাবে এই নতুন নিয়মটি খতিয়ে দেখা হবে।
সূত্রের খবর, গ্রাহকদের জন্য ইউজার নেম ফিচারটি শুরু করার আগেই সেটা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্র। চ্যাটের গোপনীয়তা সুরক্ষিত থাকবে কিনা, সেটা নিয়েই চিন্তার অবকাশ রয়েছে। ফোন নম্বর আড়ালে রেখে সাইবার অপরাধীরা আরও বেশি করে প্রতারণার জাল বিছাতে পারে, সেই সম্ভাবনা প্রবল। সেটা আটকাতে হোয়াটসঅ্যাপে যথাযথ ব্যবস্থা রাখা হবে কিনা, খতিয়ে দেখবেন আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে নোটিস পাঠানো হয়েছে মেটাকে। তিনদিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে।
বর্তমানে আট থেকে আশি সকলেই দিনভর ডুবে থাকে হোয়াটসঅ্যাপে। তবে তা শুধু আড্ডা দেওয়ার জন্য নয়, এখন অধিকাংশ অফিশিয়াল কাজও হয় এই অ্যাপেই। তবে এতদিন পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথন শুরু করার জন্য প্রয়োজন হতো ফোন নম্বর। অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায়, বিশেষ কোনও কারণে চ্যাট করার প্রয়োজন হলেও তাঁদের ফোন নম্বর দিতে চান না অনেক ব্যবহারকারী। এমন সব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নয়া ফিচার আনছে সংস্থা। ফলে এবার ব্যক্তিগত ফোন নম্বর প্রকাশ না করেও কথা চালিয়ে যেতে পারবেন হোয়াটসঅ্যাপে।
জানা যাচ্ছে, আগামী কয়েকমাসে ধাপে ধাপে এই ফিচারটি চালু করা হবে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপের গোপনীয়তাকে আরও সুনিশ্চিত করতেই এই ফিচার। তবে এই প্রথম নয়। গত এক বছরে কোম্পানিটি এমন বেশ কিছু ফিচার চালু ও পরীক্ষা করেছে, যার লক্ষ্য হল ব্যবহারকারীদের নিজেদের কথোপকথন ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত করা। তবে জানা যাচ্ছে, এই ফিচারটি ঐচ্ছিক। অর্থাৎ আপনি চাইলে ব্যবহার করতে পারেন তবে বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু এই নতুন ফিচারে সাইবার অপরাধীদের সুবিধা হবে না তো?
