আগামী ১৮ জুন ৮ রাজ্যের ২৬ আসনের রাজ্যসভা নির্বাচন (Rajya Sabha Election)। ওই ২৬ আসনের মধ্যে নিজেদের দমে গোটা পাঁচেক আসন পাওয়ার কথা ছিল হাত শিবিরের। কিন্তু চমকপ্রদভাবে বৃহস্পতিবার হাত শিবির পাঁচের বদলে ৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। আসলে ওই বাড়তি দুই আসন কংগ্রেস পাচ্ছে শরিকদের বদান্যতায়। অবশ্য শেষ পর্যন্ত যদি ক্রস ভোট না হয়, তাহলেই সবকটিতে জয় নিশ্চিত হবে হাত শিবিরের।
রাজ্যসভা নির্বাচনে ফের প্রার্থী হয়েছেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গে। কর্নাটক থেকে তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেই এআইসিসি-র তরফে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে এ কথা জানানো হয়। পাশাপাশি, কর্নাটক থেকে প্রার্থী করা হয়েছে কংগ্রেস নেতা পবন খেড়া এবং মনসুর আলি খানকে। খাড়গে বর্তমানে কংগ্রেসের সভাপতি। রাজ্যসভায় মেয়াদ শেষ হওয়ায় তাঁকে পুনরায় রাজ্যসভার জন্য মনোনীত করেছে কংগ্রেস। পাশাপাশি, মধ্যপ্রদেশ থেকে প্রার্থী হয়েছেন মিনাক্ষী নটরাজন। রাজস্থানে প্রার্থী করা হয়েছেন নীরজ ডংগি, তামিলনাড়ু থেকে প্রার্থী প্রবীণ চক্রবর্তী, ঝাড়খণ্ড থেকে প্রণব ঝাঁ।
এই তামিলনাড়ু এবং ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেসের কোনও আসন পাওয়ার কথা নয়। ওই দুটি আসন যদি হাত শিবির শেষ পর্যন্ত জেতে তাহলে সেটা হবে শরিকদের কৃপায়। তামিলনাড়ুতে বিজয় আগেই ঘোষণা করেছেন, তিনি কংগ্রেসকে তামিলনাড়ুর আসন ছাড়ছেন। ওই আসনে হাত শিবিরের জয় নিয়ে সংশয় নেই। কিন্তু রাজস্থানে হেমন্ত সোরেনের জেএমএমের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্বের খবর ইদানিং বেশ শোনা যাচ্ছিল। বিহার এবং অসমের ভোটে জেএমএমের জন্য আসন না ছাড়ায় হেমন্ত সোরেনরা কংগ্রেসের উপর বেশ রুষ্টও হয়েছিলেন। কিন্তু বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যের ফল বেরোতেই আচমকা সুর নরম শরিকদের। সেই তালিকায় সম্ভবত জেএমএমও নাম লেখাচ্ছে। হেমন্তের সমর্থন পেলে ঝাড়খণ্ডের আসনটিও কংগ্রেস পেতে পারে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই আসনে এখনও বিজেপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি।
বাকি রাজ্যগুলির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপিও। গুজরাটে প্রার্থী হয়েছেন রাজুভাই শুক্লা, মুকেশভাই রাথওয়া, মনসিং পারমার, জিতেন্দ্র মেঘজিভাই কানজারিয়া। অরুণাচল প্রদেশের প্রার্থী তাই তাগত। মধ্যপ্রদেশের প্রার্থী রাজনেশ আগরওয়াল, তরুণ চৌঘ। ওড়িশা থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দেবাশিষ সামন্তরায়কে।
