ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। প্রথম বড় আন্দোলনে সাফল্য! এবার কি থেমে যাবে ককরোচরা? নাকি পরবর্তী কালে আরও বড় কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? শনিবার দুপুর থেকেই এই প্রশ্নগুলি ঘোরাফেরা করছে। এবার সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দীপকে। আগামী দিনে তাঁর দলের পরিকল্পনা কী সেটা ফাঁস না করলেও দীপকে বলে দিলেন, "এখানেই শেষ নয়, ককরোচদের আরও অনেক পথচলা বাকি।"
অভিজিৎ দীপকে অসুস্থ। তাঁর টায়ফয়েড সংক্রমণ ধরা পড়েছে। শনিবার আন্দোলন প্রত্যহারের ঘোষণার পরই যন্তরমন্তর ছেড়ে বাড়ি ফিরেছেন দীপকে। রবিবার সকালে নিজের বাড়ি থেকেই একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন ককরোচ পার্টির প্রধান। সেখানে থেকেই ভিডিও বার্তায় তিনি বললেন, "আজ একটু স্বস্তির ঘুম। চিন্তা করতে হয়নি সকালে উঠে কী হবে।" যন্তরমন্তরে ৩৭ দিনের বিক্ষোভ যে তাঁদের জন্য ভীষণ কঠিন ছিল, সেটা মনে করিয়ে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীদের। অভিজিতের কথায়, "এই ৩৭ দিন যারা যারা আমাদের পাশে ছিলেন প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। অনেকের সঙ্গে আমার কথা হয়নি, অনেকের কথা বলা হয়নি, সবাইকে ধন্যবাদ। যারা আমাদের সমালোচনা করেছেন তাঁদেরও ধন্যবাদ। আপনারা না থাকলে আন্দোলনকে শক্তিশালী করার শিক্ষা পেতাম না।"
কিন্তু ধর্মেন্দ্র ইস্তফায় সাফল্যের পর কী পরিকল্পনা? আগামী দিনে কোন পথে আন্দোলন? সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও দীপকের তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা, "এখানেই শেষ নয়। এটা সবে শুরু। ককরোচ জনতা পার্টির সামনে আরও দীর্ঘ রাস্তা বাকি।" ককরোচ জনতা পার্টি যে শুধু শিক্ষা নিয়ে আন্দোলনেই থামবে না সেই ইঙ্গিত অবশ্য দীপকে যন্তরমন্তর ছাড়ার আগেই দিয়েছিলেন। বিক্ষোভস্থলে তাঁর শেষ বার্তা ছিল, "ঝুকতা হ্যায় দুনিয়া ঝুকানেওয়ালা চাহিয়ে।" প্রশ্ন হল, দীপকে এবার কাকে ঝোঁকাতে চান?
ককরোচের আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে কিছুটা আভাস মিলেছে ককরোচের মুখপাত্র সৌরভ দাসের গলায়। তিনি বলছেন, “আপাতত যুব সমাজের এই আন্দোলনকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে হবে। এদেশে ৭৫০-৮০০ মূল ধারার রাজনৈতিক দল রয়েছে। কেউই যুবসমাজের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি। আমরা চাই আমাদের এই আন্দোলন তৃণমূল স্তরে নিয়ে যেতে। যাতে যে রাজনৈতিক দলই আগামী দিনে ক্ষমতায় থাক, তাঁরা যেন যুবসমাজের চাহিদা পূরণে পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়। আপাতত আমাদের এটুকুই চাওয়া।”
