২০২৪ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল দু'জনের। কিন্তু প্রাক্তন স্ত্রীর প্রতি ক্ষোভ কমেনি স্বামীর। আর তাই সে নৃশংস ভাবে হত্যা করল তাকে! এমনটাই মনে করছে পুলিশ। হায়দরাবাদের (Hyderabad) এক অ্যাপার্টমেন্টে উদ্ধার হয় ৩০ বছরের ইঞ্জিনিয়ারের দেহ। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে অভিযুক্ত মহেশকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
জানা গিয়েছে, মহেশের সঙ্গে সুনীতার বিয়ে হয়েছিল ২০২২ সালে। দু'জনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় ২০২৪ সালে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে নতুন করে বিয়ে হয় সুনীতার। পুলিশের সন্দেহ, মহেশ বহুদিন ধরেই রাগ পুষে রেখেছিল। আর তারই ফলশ্রুতি। এই চরম পদক্ষেপ। স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ, তাঁর দ্বিতীয় বিয়ের পাশাপাশি আরও একটা বিষয়ে ক্ষুব্ধ ছিল মহেশ। তার বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার মামলাও করেছিলেন সুনীতা।
জানা গিয়েছে, গত বছরের মার্চে মায়ের মৃত্যুর পর কানাডায় কর্মরত মহেশ ফিরে আসেন দেশে। কিন্তু মামলার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া লুক আউট নোটিসের কারণে পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাওয়ায় আর ফেরা হয়নি মহেশের। সে চাকরি হারিয়ে তেলেঙ্গানায় নিজের গ্রামের বাড়িতেই ফিরে যায়। পুলিশের অনুমান, এই সময় থেকেই মহেশের মনে ক্ষোভ বিস্ফোরকের আকার নেয়।
তদন্তকারীরা দাবি করছেন, মাস দুই আগেই হায়দরাবাদে (Hyderabad) এসে একটি হস্টেলে থাকতে শুরু করে মহেশ। সেই হস্টেলের কাছেই সুনীলার বর্তমান বাসস্থান। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে তাকে। তার ব্যাগ থেকে দু'টি ছুরি, একটা ড্রিলিং মেশিন এবং পাঁচ লিটারের একটি পেট্রল ভর্তি ক্যান উদ্ধার হয়েছে। সুনীতার বর্তমান স্বামীর দাবি, তাঁর স্ত্রী ছিলেন তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা। যদিও এই খবরটি নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলতে পারেনি পুলিশ।
