সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবার ভারতেও জিকা ভাইরাসের হানা৷ রাজস্থানের বাসিন্দা এক মহিলার রক্তে এই রোগের জীবাণু পাওয়া গিয়েছে বলে খবর৷ তবে কীভাবে ওই মহিলা জিকা রোগে আক্রান্ত হলেন? তা এখনও জানা যায়নি৷
[বান্ধবীকে চকোলেট উপহার, নিম্নবর্ণের কিশোরকে নগ্ন করে গ্রাম ঘোরাল মাতব্বর]
জানা গিয়েছে, জয়পুরের শাস্ত্রী নগরের বাসিন্দা ওই মহিলা বেশ কয়েকদিন ধরে প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছিলেন৷ সারা শরীরে ব্যথাও অনুভব করছিলেন তিনি৷ চোখ লাল হয়ে গিয়েছিল, জ্বালা করছিল৷ তড়িঘড়ি চিকিৎসকের কাছে যান ওই মহিলা৷ উপসর্গ দেখে চিকিৎসক ভেবেছিলেন ডেঙ্গু কিংবা সোয়াইন ফ্লু-তে আক্রান্ত হয়েছেন ওই মহিলা৷ হাসপাতালে ভরতি হন তিনি৷ কিন্তু, রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু বা সোয়াইন ফ্লুর জীবাণু পাওয়া যায়নি৷ রক্তের নমুনা পাঠানো হয় পুণের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে৷ দিন সাতেক পর রক্ত পরীক্ষা রিপোর্ট আসে৷ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই মহিলা জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত. তবে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই. তিনি এখন ভাল আছেন৷’’ তবে রাজস্থানে এরআগে কেউ জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত হননি৷ এই মহিলার প্রথম এই রোগে কবলে পড়লেন.
[জানেন, তিন বছরে স্রেফ প্রকল্পের উদ্বোধনে কত টাকা খরচ করেছে রেল?]
১৯৪৭ সালে আফ্রিকার উগান্ডায় জিকা বনাঞ্চলে একটি বাঁদরের রক্তে এই রোগের ভাইরাস পাওয়া গিয়েছিল৷ তাই রোগের নাম জিকা৷ মানবদেহে প্রথম জিকা সংক্রমণ ঘটে নাউজেরিয়ায়৷ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মশার কামড়েই মানুষের শরীরে ঢোকে জিকা ভাইরাস৷ তবে বিদেশে চিকিৎসা থাকলেও, ভারতে এই রোগের তেমন কোনও চিকিৎসা বা প্রতিষেধক নেই৷ সত্যি কথা বলতে, এদেশে কেউ জিকা ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হয়েছেন বলে আগে শোনা যায়নি৷ রাজস্থানে ওই মহিলাই প্রথম এই রোগে আক্রান্ত হলেন৷
