shono
Advertisement

Breaking News

Meta

অ্যালগরিদমে বদল চাই, 'রোডম্যাপ' জমা দেওয়ারও নির্দেশ, মেটায় লাগাম টানতে কড়া কেন্দ্র!

ডিপফেক, বিকৃত তথ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের লাগাম টানতে প্রযুক্তি সংস্থা মেটার উপর চাপ আরও বাড়াল কেন্দ্র।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:21 PM Aug 09, 2026Updated: 05:21 PM Aug 09, 2026

ডিপফেক, বিকৃত তথ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের লাগাম টানতে প্রযুক্তি সংস্থা মেটার উপর চাপ আরও বাড়াল কেন্দ্র। মেটার অ্যালগরিদমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি, এই ধরনের কনটেন্টের মোকাবিলায় সংস্থাটি কী কী পদক্ষেপ করবে, তার একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ জমা দিতে বলা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

Advertisement

কেন্দ্র ও মেটা কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক বৈঠকের পর টেক জায়ান্টটিকে একাধিক শর্ত মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। যার অন্যতম, অ্যালগরিদমে বদল। সাফ বলা হয়েছে, ডিপফেক, ভুয়ো খবর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার দ্রুত শনাক্ত করতে নিজেদের অ্যালগরিদম ব্যবস্থা নতুন করে সাজাতে হবে। দ্বিতীয়ত, দ্রুত পদক্ষেপ ও তথ্য স্থানীয়করণ করতে হবে। সরকারি বা অনুমোদিত সংস্থা কোনও কন্টেন্ট চিহ্নিত করলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে ভারতের 'ডেটা-লোকালাইজেশন' (তথ্য স্থানীয়করণ) সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বিকৃত ছবি ও ডিপফেক রুখতে সরকারের 'কুইক রেসপন্স টিম'-এর সঙ্গে সরাসরি ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে মেটাকে। বৈঠকে মেটার প্রযুক্তিগত দল তাদের বর্তমান কনটেন্ট ফিল্টারিং ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েছে এবং নতুন প্রযুক্তিগত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। তবে বিষয়টি এখানেই থেমে থাকছে না। মেটা ভারতের আইটি আইনের মধ্যস্থতাকারী নিয়মাবলি সঠিকভাবে মেনে চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্র। প্রাপ্ত রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মেটার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত চাওয়া হয়েছে।

ভারতের 'ডেটা-লোকালাইজেশন' (তথ্য স্থানীয়করণ) সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বিকৃত ছবি ও ডিপফেক রুখতে সরকারের 'কুইক রেসপন্স টিম'-এর সঙ্গে সরাসরি ও সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে মেটাকে।

মেটার বিরুদ্ধে কেন্দ্রের এই কড়া অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এক ঘটনা। দেশের তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেসবুকে এক পোস্ট করেন। যেখানে প্রশ্নফাঁস নিয়ে কঠোর ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেন। তবে প্রধানমন্ত্রীর সেই ভিডিও সোশাল মিডিয়া থেকে সরিয়ে দেয় মেটা। পরে মেটার তরফে বলা হয় যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে এই ঘটনা ঘটেছিল, ক্ষমা চেয়ে পরে পোস্টটি পুনরুদ্ধার করে ফেসবুক। তবে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এই ব্যাখ্যাকে 'অপর্যাপ্ত' ও অসন্তোষজনক বলে মনে করেছে। এর পরেই মেটার শীর্ষ কর্মকর্তাদের তলব করা হয় এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে কড়া নজরদারির বার্তা দেওয়া হয়। এবং উদ্বেগ না কাটা পর্যন্ত সরকারের তরফে মেটার উপর নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement