পাঁচ রাজ্যে ভোট মিটলেই কি পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়াতে চলেছে মোদি সরকার? সোশাল মিডিয়ায় এই ধরনের জনশ্রুতি-গুজব শোনা যাচ্ছে। এবার সেই গুজব উড়িয়ে দিল মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়ে দিল, ভোটের পর জ্বালানির দাম বাড়ার এই খবর ভিত্তিহীন ও ভুয়ো।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে বিশ্ববাজারে বাড়ছে তেলের দাম। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে ভারতবাসীর হেঁসেলে। ইতিমধ্যেই রান্নার গ্যাসের দাম বাড়াতে হয়েছে। গ্যাসের সংকটও উপেক্ষা করার মতো নয়। তবে পেট্রল-ডিজেলের দামে এখনও হাত পড়েনি। উলটে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। বিরোধীদের একটা অংশের দাবি, এই ব্যবস্থা শুধু ভোটের জন্য। ভোট পেরোলেই আবার হু হু করে বাড়বে পেট্রল-ডিজেলের দাম।
কোনও কোনও মহল থেকে দাবি করা হচ্ছিল, ভোটের পর পেট্রল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ২৫ থেকে ২৮ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। কোডাক ইনস্টিটিউশনাল ইকুইটিস নামের একটি সংস্থা নিজেদের রিপোর্টে দাবি করেছিল, অপরিশোধিত তেলের চড়া দামের কারণে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি চাপে রয়েছে। হিসাব বলছে প্রতিদিন ইন্ডিয়ান ওয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম মিলে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা করে লোকসানের মুখ দেখছে। তাই পাঁচ রাজ্যের ভোট প্রক্রিয়া মিটলেই একধাক্কায় ২৫ থেকে ২৮ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে পেট্রল-ডিজেলের দাম।
কিন্তু সেই খবর সরকার পুরোপুরি খারিজ করে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক সোশাল মিডিয়ায় বলে, 'পেট্রল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির (Petrol Diesel Price Hike) খবর পুরোপুরি ভুয়ো খবর। সরকারের তরফে দাম বাড়ানোর কোনও প্রস্তাব নেই।' গত চার বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দাম ওঠানামা করলেও আমজনতাকে সেটার প্রভাব থেকে রক্ষা করতে ভারত সরকার ও তেল সংস্থাগুলি বদ্ধপরিকর।
