বঙ্গোপসাগরের আকাশপথে 'নোটাম' বা সতর্কতা জারি ভারত সরকারের। জানা যাচ্ছে, বঙ্গোপসাগরের ৩৫৫০ কিলোমিটার এলাকাকে 'বিপজ্জনক অঞ্চল' বলে ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে নোটাম যা জারি থাকবে ৬ মে পর্যন্ত। মনে করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আগাম প্রস্তুতি বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ করেছে সরকার। অনুমান করা হচ্ছে, অগ্নি-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করতে পারে ডিআরডিও। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৩৫০০ থেকে ৪০০০ কিলোমিটার। যা ১০০০ কেজি ওজনের পারমাণবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। বর্তমানে ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান হিসেবে গণ্য করা হয় এই ক্ষেপণাস্ত্রকে। যদিও কী কারণে এই নোটাম জারি করা হয়েছে তা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি।
গত শুক্রবার দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দূর পাল্লার হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল'-এর দ্বিতীয় সফল পরীক্ষা করেছে ভারত।
উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে যুদ্ধের দামামা বাজতেই দেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে শুরু করেছে ভারত সরকার। সেই লক্ষ্যে গত কয়েক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে চলেছে ভারত। গত শুক্রবার দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি দূর পাল্লার হাইপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল'-এর দ্বিতীয় সফল পরীক্ষা করেছে ভারত। জানা যাচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের দ্বিতীয় পরীক্ষায় মূলত এর 'টু স্টেজ হাইপারসনিক গ্লাইড ভেহিকেল' ডিজাইনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির সর্বোচ্চ গতি ম্যাক ১০ (শব্দের গতির ১০ গুণ)।
