সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক : অবশেষে শেষ হল মহারাষ্ট্রের কৃষক বিক্ষোভ। রবিবার কৃষিঋণ মকুব করার ঘোষণা করে মহারাষ্ট্র সরকার। তারপরেই বিক্ষোভ প্রত্যাহার করার কথা জানিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। এরই সঙ্গে যথেষ্ট চাপে পড়ে গেল মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাড়ু ও হরিয়ানা রাজ্য সরকার।
টানা ১১ দিন ধরে মহারাষ্ট্রের নাসিক, কোলাপুর, আহমেদানগর, সাংগলি ও পুণে জুড়ে কৃষক বিক্ষোভ চলে। গত সপ্তাহে গোটা মহারাষ্ট্রে প্রায় ৫ লক্ষ কৃষক ধর্মঘটে শামিল হন। কৃষকদের দাবি বিবেচনা করে দেখার জন্য বিশেষ মন্ত্রিগোষ্ঠী তৈরি করেন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস। রবিবার বিক্ষোভকারীরা দেখা করেন সেই মন্ত্রিগোষ্ঠীর সঙ্গে। এরপরেই কৃষিঋণ মকুব করার কথা ঘোষণা করেছে সরকার। কৃষিঋণ মকুবের সাথে বেশকিছু দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন কৃষকরা। তবে মহারাষ্ট্র সরকারের ঘোষণায় কিন্তু তাদের সব দাবি পূরণ হয়নি। মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চলেই খরার কারণে ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এখান থেকেই কৃষকদের আত্মহত্যার ঘটনা ক্রমশ সামনে আসছিল। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তিতে ছিল কেন্দ্র। চাপ বাড়াচ্ছিল মধ্যপ্রদেশের পরিস্থিতিও। নিয়ন্ত্রণের বাইরে ঘটনাক্রম যাতে না চলে যায়, তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বলে জানালেন সরকারি আধিকারিক। ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাপের কৃষকদের জন্যই ঋণ মকুব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, রাজ্যের ১ কোটি ৩৫ লক্ষ কৃষকদের মধ্যে ঋণ মকুব করা হয়েছে মাত্র ৩১ লক্ষ কৃষকের। এই কৃষিঋণের জন্য রাজ্যকে ভর্তুকি দিতে হবে ৩০,৫০০ কোটি টাকা।
[জুতোপেটা করবে ভক্তরাই, পাক ক্রিকেটারকে মোক্ষম জবাব মনোজের]
প্রসঙ্গত মধ্যপ্রদেশের পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছিল। তার ওপর কৃষিঋণ মকুবের কথা ঘোষণা করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সব মিলিয়ে গোটা ঘটনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই এই সিদ্ধান্ত হয়তো নিতেই হত মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে।
The post ঋণ মকুবে মহারাষ্ট্রে আন্দোলন প্রত্যাহার কৃষকদের appeared first on Sangbad Pratidin.
