মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনার (Mothabari Case) পরে সতর্ক সুপ্রিম কোর্ট। বাংলার ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা দিতে নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। শুধু তাই নয়, বিচারকদের নিরাপত্তা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে যে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হবে তাও এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। এদিকে মামলার শুরুতেই মোথাবাড়ি কাণ্ডে অন্তবর্তী রিপোর্ট কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ জমা দেয়। তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে ওই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।
আজ, সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি হয়। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। মামলার শুনানিতে মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনার প্রসঙ্গও উঠে আসে। মামলার শুনানিতে এনআইএ জানায়, মোথাবাড়ি-কাণ্ডের মূল অভিযুক্তকে গত রবিবারই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন করে আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এখনই যে তদন্ত শেষ হচ্ছে না তাও এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী।
এনআইএ জানায়, মোথাবাড়ি-কাণ্ডের মূল অভিযুক্তকে গত রবিবারই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নতুন করে আরও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এখনই যে তদন্ত শেষ হচ্ছে না তাও এদিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী।
এদিকে এই ঘটনায় ধৃতদের রাজনৈতিক পরিচয় কি, তা জানতে চান প্রধান বিচারপতি। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টি শুধুমাত্র কাগজে কলমে থাকুক, আমরা তা চাই না। এমনকী মামলাটি যাতে সাধারণ মামলা হিসাবে এনআইএ যাতে না দেখে তাও এদিন জানান নির্দেশে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত পয়লা এপ্রিল কালিয়াচকের মোথাবাড়িতে বিডিও অফিসের ভিতরে বিচারকদের ঘণ্টার পর ঘন্টা আটকে রাখা হয়। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। সুপ্রিম নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ। যদিও ঘটনার পরেই গ্রেপ্তার করা হয় মোথাবাড়ি বিধানসভার আইএসএফ প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলি কাদেরিকে। বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ঘটনার অন্যতম মূল পান্ডা তথা মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামকে। রবিবার এই ঘটনায় যুক্ত সন্দেহে স্থানীয় এক আইএসএফ কর্মী গোলাম রাব্বানিকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। গ্রেপ্তার করা হয় আরও দুই কংগ্রেস কর্মীকেও। শুধু তাই নয়, মোথাবাড়ির কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম ওরফে বাবু চৌধুরীকেও দফায় দফায় জেরা করেছে এনআইএ।
