shono
Advertisement
Noida

নয়ডা বিক্ষোভে নকশাল-যোগ! তামিলনাড়ু থেকে গ্রেপ্তার হিংসার 'মাস্টারমাইন্ড'

এই বিক্ষোভের 'মাস্টারমাইন্ড' আদিত্য আনন্দকে অবশেষে তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করল উত্তরপ্রদেশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
Published By: Jaba SenPosted: 07:42 PM Apr 18, 2026Updated: 07:42 PM Apr 18, 2026

মজুরি বৃদ্ধি ও উন্নত কর্ম পরিবেশের দাবিতে সম্প্রতি বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল নয়ডা। এই বিক্ষোভের 'মাস্টারমাইন্ড' আদিত্য আনন্দকে অবশেষে শনিবার তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি রেলস্টেশন থেকে গ্রেপ্তার করল উত্তরপ্রদেশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তিনি এতদিন পলাতক ছিলেন। তাঁকে বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, এই ঘটনায় শহুরে নকশাল নেটওয়ার্কের যোগ থাকতে পারে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল নয়ডায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালীন হিংসার ঘটনায় জড়িতদের ধরতে দিল্লি-এনসিআর, উত্তরপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুতে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। এই অভিযানে বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। তবে ঘটনার মূল অভিযুক্ত বা 'মাস্টারমাইন্ড' আদিত্য পলাতক ছিলেন। এর আগে উত্তরপ্রদেশের এক আদালত আদিত্যর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল। পাশাপাশি, তাঁর খোঁজ দিতে পারলে ১ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল নয়ডা পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আদিত্য এনআইটি জামশেদপুর থেকে বিটেক পাশ করেছেন। অভিযোগ, বিক্ষোভের সময় নয়ডায় উপস্থিত ছিলেন তিনি। পাশাপাশি একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে কিউআর কোডের মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের সংগঠিত করেন। এছাড়াও, তাঁর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য পেশের অভিযোগও উঠেছে।

পুলিশের দাবি, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল নয়ডা ও গ্রেটার নয়ডার ৮০টিরও বেশি স্থানে বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ৪০-৪৫ হাজার শ্রমিক জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখায়। এর জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এর ফলে দিল্লি, নয়ডা ও সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক যানজট হয়। কিছু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। বিশেষ করে সেক্টর-৬৩ ও মাদারসন গ্রুপের কাছে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেখানে একাধিক গাড়িতে ভাঙচুর, আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথরবৃষ্টি চালায় বিক্ষোভকারীরা।

তদন্তকারীরা জানিয়েছে, হিংসায় জড়িতদের অনেকেই প্রকৃত শ্রমিক ছিলেন না। প্রাথমিক তদন্তে জানা যাচ্ছে, গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন 'মজদুর বিগুল' নামের একটি বামপন্থী শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের সঙ্গে শহুরে নকশাল নেটওয়ার্কের যোগাযোগ থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আদিত্য আনন্দকে হেফাজতে নেওয়ার পর এসটিএফ এখন তদন্তের পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। কে বা কারা এই বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিল, কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তা সংগঠিত হয়েছিল- এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement