নন্দিতা রায়, নয়াদিল্লি: আজ, ২১ জুলাই শহিদ স্মরণের মঞ্চে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণে সকলের নজর থাকবে। জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রেও সমস্ত বিজেপি-বাম-কংগ্রেস-সহ রাজনৈতিক দলই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন। আগামী বছর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের আগে এবারের ২১ জুলাই মমতার ভাষণ নিয়ে আগ্রহ রয়েছে রাজধানীর রাজনৈতিক অলিন্দেও। মনে করা হচ্ছে, আগামী বছরের বিধানসভা ভোটের রূপরেখা ধর্মতলার মঞ্চ থেকেই তৃণমূলনেত্রী ঠিক করে দেবেন।
আগামিদিনে জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে তৃণমূলের ভূমিকা কী হতে চলেছে, সেই প্রশ্নের উত্তরও আজই মিলবে বলেই মনে করছে শাসক-বিরোধী দুই রাজনৈতিক শিবির। সূত্রের খবর, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যে এদিনের মঞ্চ থেকে তাদের তুলোধোনা করবেন, তা নিয়ে একপ্রকার নিশ্চিত বিজেপি শিবির।
মমতার আক্রমণ কীভাবে সামলাবে, তার জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তারাও। বিজেপির সোশাল মিডিয়া সেল ইতিমধ্যেই এ নিয়ে তৎপর। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের ক্লিপিংস কেটে নিয়ে পালটা অভিযোগ, তীব্র আক্রমণ করার নির্দেশও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির রাজ্যস্তরের তো বটেই, অনেক জাতীয় স্তরের নেতার চোখই যে আজ টিভির পর্দায় মমতার ভাষণের দিকে থাকবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
অন্যদিকে, জাতীয় রাজনৈতিক ক্ষেত্রে, বলা ভালো ইন্ডিয়া জোটে তৃণমূল কংগ্রেসের উপস্থিতি কতটা সক্রিয় থাকবে, সেই উত্তরও মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ থেকে স্পষ্ট হবে বলেই মনে করছে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে মমতার ভাষণের সমালোচনা করা হলেও জাতীয় স্তরের নেতারা তা থেকে বিরত থাকবেন বলেই সূত্রের খবর। সদ্য ইন্ডিয়া জোটের ভার্চুয়াল বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের পরে সংসদে কংগ্রস ও তৃণমূলের মধ্যে সমন্বয় থাকবে বলেই তাঁরা আশা করছেন। যা বিজেপিকে কোনঠাসা করার জন্য প্রয়োজনীয় বলেই মত কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের।
