shono
Advertisement

Breaking News

Septic Tank

মরণকূপ! ওড়িশায় সেপটিক ট্যাঙ্কে নেমে মৃত্যু ৩ শ্রমিকের! বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল পথচারীর

চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রাণ হারান পথচারী।
Published By: Kishore GhoshPosted: 08:00 PM Jun 03, 2025Updated: 08:00 PM Jun 03, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আদালতের হাজার নির্দেশেও বদলায় না বাস্তব পরিস্থিতি। ওড়িশায় সেপটিক ট্যাঙ্কে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল তিন জন সাফাইকর্মীর। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক পথচারী। যদিও বিষাক্ত গ্যাসের জেরে তিনিও প্রাণ হারালেন।

Advertisement

ঘটনাটি নবরংপুর জেলার নন্দাহান্ডি ব্লকের পাদালগুড়া গ্রামের। সাফাইকর্মীরা নবনির্মিত একটি সেপটিক ট্যাঙ্কের ১০x০ ফুটের মূল ঢাকনা সরিয়ে ভিতরে নামেন। প্রথমে দুই সাফাইকর্মী ট্যাঙ্কের ভিতরে নামেন। তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়লে সাহায্য় করতে আরও এক সাফাইকর্মী ট্যাঙ্কের ভিতরে নামেন। খানিক পরে তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তিন সাফাইকর্মীর আর্তনাদ শুনে পথচলতি এক ব্যক্তি ট্যাঙ্কে নেমে শ্রমিকদের বাঁচানোর চেষ্টা করেন। যদিও মারণ গ্যাসের জেরে তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান দমকলকর্মীরা। ততক্ষণে তিন সাফাইকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় পথচারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যদিও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং অন্য সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই সেপটিক ট্যাঙ্কে নেমেছিলেন সাফাইকর্মীরা। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহগুলিকে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলেই জানা যাবে কী ধরনের গ্যাসে মৃত্যু হয়েছে শ্রমিকদের।

কেন্দ্রের সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের সমীক্ষা অনুযায়ী, গোটা দেশে নর্দমা ও সেপটিক ট্যাঙ্ক সাফাইয়ের মতো বিপজ্জনক কাজের সঙ্গে যুক্ত ৭৯,৭০০ জন শ্রমিক। এই কাজ বন্ধ করে মেশিনের মাধ্যমে নর্দমা ও সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কারে প্রচার চালাচ্ছে সরকার। যদিও এখনও ম্যানুয়াল সাফাই সম্পূর্ণ বন্ধ করা যায়নি। গত পাঁচ বছরে নর্দমা সাফাই কিংবা সেপটিক ট্যাঙ্ক পরিষ্কার করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৫৩ জন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান দমকলকর্মীরা।
  • ঘটনাটি নবরংপুর জেলার নন্দাহান্ডি ব্লকের পাদালগুড়া গ্রামের।
Advertisement