shono
Advertisement
POCSO Court

নাবালক বলে ছাড় নয়, বেনজির রায়ে অপহরণ মামলায় ২৫ বছরের জেল কিশোরের

নির্ভয়া কাণ্ডের নাবালক আসামী গুরু পাপে লঘু সাজা পাওয়ার পর দেশজুড়ে জনরোষ তৈরি হয়েছিল।
Published By: Subhajit MandalPosted: 07:44 PM Aug 15, 2026Updated: 07:44 PM Aug 15, 2026

স্রেফ নাবালক বলেই ছাড়! অতীতে বহু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে ঘৃণ্য অপরাধের পরও স্রেফ বয়সের দোহাই দিয়ে শাস্তি এড়িয়েছে নাবালক অপরাধীরা। যার জলজ্যান্ত উদাহরণ নির্ভয়া কাণ্ড। স্রেফ বয়স ১৮ না হওয়ায় নৃশংসতার পরও ছাড় পেয়ে যায় এক অপরাধী। কিন্তু আর নয়। নজিরবিহীনভাবে উত্তরপ্রদেশের এক পকসো আদালত নাবালিকাকে অপহরণের মামলায় ১৬ বছরের নাবালককে ২৫ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনাল।

Advertisement

বছর তিনেক আগের এক অপহরণ মামলায় ১৬ বছর বয়সি এক নাবালককে দোষী সাব্যস্ত করেছে বালিয়ার এক পকসো আদালত। আদালত ওই নাবালককে ১৬ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ, ২১ বছর বয়স পর্যন্ত তার পড়াশোনা, শারীরিক-মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে কর্তৃপক্ষকে। তার পরে তাঁকে সংশোধনাগারে পাঠাতে হবে।

২০২৩ সালের জুলাই মাসে বালিয়ার পাখরি থানা এলাকা থেকে ১৩ বছরের এক নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। বাড়ির বাইরে থেকেই প্রলোভন দিয়ে ওই নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিল এই নাবালক। ৩ বছর ধরে বিচার চলার পর অভিযুক্তকে সাজা শোনাল বালিয়ার পকসো আদালত। বিচারক প্রথম কান্ত নির্দেশ দেন, ওই নাবালককে বর্তমানে গাজিপুরের স্পেশ্যাল হোমের সুপারের তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে। ২১ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁর মানসিক এবং শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে। তারপর তাঁকে বাকি সাজার মেয়াদ কাটানোর জন্য জেলে পাঠাতে হবে।

উল্লেখ্য, নির্ভয়া কাণ্ডের নাবালক আসামী গুরু পাপে লঘু সাজা পাওয়ার পর দেশজুড়ে জনরোষ তৈরি হয়েছিল। তার জেরে ২০১৫ সালে সংসদে নতুন আইন পাস করে মোদি সরকার। তাতে ‘বড় অপরাধের’ ক্ষেত্রে অভিযুক্তের বয়স ১৬-১৮ বছরের মধ্যে হলেও তাকে সমান অপরাধী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। সেই আইনেই শাস্তি দেওয়া হল উত্তরপ্রদেশের নাবালককে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement