মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন। তারপরেই কংগ্রেস নেতা পবন খেরার (Pawan Khera) বাড়িতে পৌঁছে গেল পুলিশ। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস নেতার দিল্লির বাসভবনে হানা দিয়েছে অসম এবং দিল্লি পুলিশের যৌথ টিম। সেসময়ে বাড়িতে ছিলেন না পবন। উল্লেখ্য, দিনদুয়েক আগেই পবন খেরা অভিযোগ এনেছিলেন, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী রিনিকির তিনটি পাসপোর্ট রয়েছে। তারপরই পুলিশি পদক্ষেপ ঘিরে প্রশ্ন উঠছে, ভোটের আগে অসমে প্রতিশোধের রাজনীতি চলছে কি?
বৃহস্পতিবার অসমে বিধানসভা নির্বাচন (Assam Assembly Election)। একদফায় ভোট হবে গোটা রাজ্যে। জানা গিয়েছে, তার দু'দিন আগে অর্থাৎ মঙ্গলবার পবনের বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। সোমবার তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন হিমন্তপত্নী রিনিকি ভুঁইয়া। মঙ্গলবার পবনের বাড়িতে পুলিশি হানার খবর প্রকাশ হতেই অসমের মুখ্যমন্ত্রীর তোপ, "ও তো গুয়াহাটি থেকে গতকাল পালিয়েছে। খবর পেলাম ওর দিল্লির বাড়িতে পুলিশি তল্লাশি চলেছে। কিন্তু এখন আবার হায়দরাবাদ পালিয়েছে। তবে আইন চলবে আইনের পথেই।"
কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের মতে, এই পুলিশি হানার কোনও আইনি ভিত্তি নেই। মধ্যযুগে যেভাবে ডাইনি অপবাদে তল্লাশি চলত, সেভাবেই তল্লাশি চালাচ্ছে অসম এবং দিল্লি পুলিশ। হারের গন্ধ পেয়েই এমনটা করাচ্ছেন হিমন্ত, এমনটাই দাবি কংগ্রেস নেতার।
উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হিমন্তের স্ত্রীর পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা। তিনি বলেন, ভারত ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, মিশর এবং অ্যান্টিগা ও বারবুডার পাসপোর্ট রয়েছে হিমন্তপত্নী রিনিকির। মার্কিন মুলুকে বহু সম্পত্তিও রয়েছে তাঁর। যদিও ভারতীয় আইন অনুযায়ী দুই দেশের পাসপোর্ট থাকাটা অপরাধ।
পবন খেরার এই মন্তব্যের পালটা সুর চড়ান অসমের মুখ্যমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, কংগ্রেস অপপ্রচার চালাচ্ছে। ডিজিটাল কারসাজি করে তাঁকে বদনাম করার চেষ্টা হচ্ছে। তারপরেই সোমবার এই মন্তব্যের জেরে এফআইআর দায়ের করেন রিনিকি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার পবনের বাড়িতে হানা দিয়েছে পুলিশ। এখনও পবনের তরফে এই ইস্যুতে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের মতে, এই পুলিশি হানার কোনও আইনি ভিত্তি নেই। মধ্যযুগে যেভাবে ডাইনি অপবাদে তল্লাশি চলত, সেভাবেই তল্লাশি চালাচ্ছে অসম এবং দিল্লি পুলিশ। হারের গন্ধ পেয়েই এমনটা করাচ্ছেন হিমন্ত, এমনটাই দাবি কংগ্রেস নেতার।
