shono
Advertisement
Pune

পকেটে বি টেক, অথচ প্রবীণ আত্মীয়ের বাড়িতে ঢুকেই যা করতেন...,মহিলার কাণ্ডে অবাক পুলিশ

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই ঘটনা প্রথম নয়! এর আগেও তিনি তাঁর দুই প্রবীণ আত্মীয়ের বাড়িতে চুরি করেছিলেন।
Published By: Kousik SinhaPosted: 07:01 PM Sep 06, 2026Updated: 07:44 PM Sep 06, 2026

মাঝেমধ্যেই বেড়াতে যাওয়ার নাম করে স্ত্রী যেতেন আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে। এক্ষেত্রে কখনই সন্দেহ হয়নি স্বামীরও। স্ত্রী যে তাঁর নিজের আত্মীয়দের বাড়িতে কোনও অপরাধ ঘটাতে পারে এটা কল্পনাও করতে পারতেন না। বেড়াতে যাচ্ছেন, তাতে আর কেইবা আপত্তি করে। কিন্তু সেই সমস্ত আত্মীয়দের বাড়ি সব কাণ্ড ঘটিয়ে ফিরেছেন ওই মহিলা, যা শুনে তাজ্জব হয়ে যাচ্ছেন তার স্বামী থেকে শুরু করে পাড়া-প্রতিবেশী প্রত্যেকেই। ভাবছেন তো ব্যাপারটা কী?

Advertisement

পুলিশকে অভিযুক্ত ওই মহিলার স্বামী জানিয়েছেন, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানতেন না। শুধু জানতেন স্ত্রী যাচ্ছেন তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পুণের কারভেনগরে। জানা গিয়েছে, ওই মহিলার বয়স বছর ৩১। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। বিটেক এবং এমবিএ ডিগ্রী রয়েছে তাঁর। এমনকী নামী একটি আইটি সংস্থায় কর্মরতও তিনি। উচ্চশিক্ষিতা এই মহিলার বিরুদ্ধেই সম্প্রতি ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। কার ঘরে ডাকাতি? নিজের ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা ঠাকুমার ঘরে। অভিযোগ, নিজের ঠাকুরমার চোখে কেমিক্যাল স্প্রে করে ডাকাতি করেছেন ওই মহিলা। যা শুনে রীতিমতো তাজ্জব প্রতিবেশীরা। কিন্তু কেন এমন ডাকাতির প্রয়োজন হল ওই মহিলার? ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, এই ঘটনা প্রথম নয়! এর আগেও তিনি তাঁর দুই প্রবীণ আত্মীয়ের বাড়িতে চুরি করেছিলেন। বৃদ্ধা আত্মীয়দের একা থাকার সুযোগ নিয়ে নাকি চুরি করতেন তিনি। সিংহগড় রোড এলাকাতেও ঘটেছে একই ঘটনা। অভিযোগ, ওই মহিলা তাঁর এক মামার বাড়ি থেকেও লক্ষাধিক মূল্যের সোনা চুরি করে ছিলেন। যদিও পরে সোনা উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর অভিযুক্ত ওই মহিলার উপর থেকে সমস্ত অভিযোগ তুলে নেয়। অভিযোগ, এরপরেও শিক্ষা নেননি। কোথরুড এলাকায় অন্য এক মামার বাড়িতেও একই কাণ্ড ঘটান তিনি। সেখান থেকেও একইভাবে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করেন ওই মহিলা।

পুলিশ আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, করোনা মহামারী এবং তার পরবর্তী সময়ে শেয়ার বাজারে ট্রেডিং করে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন ওই মহিলা। এর ফলে বিপুল অঙ্কের দেনা হয়। আর তা মেটাতেই ওই মহিলা একের পর এক জায়গায় চুরির পথ বেছে নিতেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। আর এক্ষেত্রে মহিলার টার্গেট হতেন বয়স্ক মহিলারা। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বয়স্ক আত্মীয়রা যেখানে একা থাকতেন, সেখানে হাজির হয়ে যেতেন ওই মহিলা। আত্মীয় হওয়ায় তাঁর আসা-যাওয়া নিয়ে কেউই সন্দেহ করতেন না। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছিলেন তিনি। পুলিশকে অভিযুক্ত ওই মহিলার স্বামী জানিয়েছেন, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানতেন না। শুধু জানতেন স্ত্রী যাচ্ছেন তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে। কিন্তু এই ঘটনা সামনে আসতেই রীতিমতো তাজ্জব ওই ব্যক্তি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement