নিট প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে 'ককরোচ জনতা পার্টি'র আন্দোলনের পর এবার যন্তর মন্তরে নয়া আন্দোলনের (Reservation Hatao Andolan) স্ফুলিঙ্গ। সংরক্ষণ তুলে নেওয়ার দাবিতে শয়ে শয়ে মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেছেন দিল্লির যন্তর মন্তরে। সংরক্ষণ ও ইউজিসির নিয়মের বিরুদ্ধে শুক্রবার থেকে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। তবে দিল্লিব পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, যন্তর মন্তর চত্বরে এই আন্দোলনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরিবর্তে বিকেল ৪টে পর্যন্ত দিল্লির রামলীলা ময়দানে আন্দোলনের অনুমতি দিয়েছে প্রশাসন।
জানা যাচ্ছে, শুক্রবার সকাল থেকে যন্তর মন্তরে ভিড় জমাতে শুরু করে প্রতিবাদীরা। দুপুরের দিকে ভিড় ব্যাপকভাবে বেড়ে যায় ভিড়। ব্যানার পোস্টার হাতে স্লোগান দিতে দেখা যায় বহু মানুষকে। এদিকে সিজেপির আন্দোলনের জন্য যন্তর মন্তর নিয়ে সতর্ক দিল্লি পুলিশ। কোনওরকম অশান্তি এড়াতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে ব্যারিকেড। বিক্ষোভকারীরা যাতে প্রতিবাদস্থলে পৌঁছতে না পারে তার জন্য বাধা দেওয়া হচ্ছে। তারপরও ভিড় রোখা যায়নি।
শুক্রবার সকাল থেকে যন্তর মন্তরে ভিড় জমাতে শুরু করে প্রতিবাদীরা। দুপুরের দিকে ভিড় ব্যাপকভাবে বেড়ে যায় ভিড়। ব্যানার পোস্টার হাতে স্লোগান দিতে দেখা যায় বহু মানুষকে।
প্রচুর সংখ্যায় মানুষ যন্তর মন্তরে একত্রিত হয়েছেন। 'জয় শ্রীরাম', 'ভারত মাতা কি জয়'-এর পাশাপাশি স্লোগান উঠেছে 'জাতের ভিত্তিতে নয়, সংরক্ষণ দেওয়া হোক গরিবদের'। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)-এর নিয়ম বদলের দাবিও উঠেছে এই আন্দোলন থেকে। শিক্ষাঙ্গনে জাতপাতের ভিত্তিতে সংরক্ষণ বন্ধ করতে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছে প্রতিবাদীরা।
এদিকে দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, যন্তর মন্তরের পরিবর্তে রামলীলা ময়দানে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের। বিকেল ৪টে পর্যন্ত আন্দোলনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ২১ আগস্ট বিকেল ৪টে পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৫০০ জনের সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কোনও মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। কড়া ভাবে জানানো হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা যেন শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করেন।
