তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে গোটা দেশ উদ্বিগ্ন। ওজন কমছে দ্রুত। এই পরিস্থিতিতে শনিবার ভোরে সোনম ওয়াংচুকের অনশন ভাঙাল পুলিশ। তাঁকে যন্তর মন্তর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। এদিনই তাঁর অনশন ২১তম দিনে পা দিয়েছিল।
যত সময় যাচ্ছিল ততই শরীর ভেঙে যাচ্ছিল সোনমের। কথা বলার শক্তিটুকুও যেন নেই। মেদক্ষয় হয়েছে, পেশিরও ক্ষয় হচ্ছে। শোনা যাচ্ছিল, চিকিৎসকরা একপ্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছেন। যে কোনও সময় ‘অর্গ্যান ফেলিওর’ হতে পারে। এমতাবস্থায় এদিন সকালে সোনমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে একপ্রকার জোর করেই পুলিশ তুলে নিয়ে গিয়েছে। ভর্তি করা হয়েছে সফদরজং হাসপাতালে। রাখা হয়েছে জরুরি বিভাগে।
এক বিবৃতিতে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ এবং দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে 'প্রয়োজনীয় চিকিৎসার' জন্য ওয়াংচুককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পর পুলিশ যন্তর মন্তরে সমবেত বিক্ষোভকারীদের কাছে আহ্বান জানায় যেন তারা দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভস্থল ত্যাগ করেন। আপাতত সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ-সহ পাঁচ দাবিতে গত ২০ দিন ধরে যন্তর-মন্তরে অনশন করছিলেন সোনম। শুক্রবারই ওয়াংচুক বলেন, ''ডাক্তারি পরীক্ষা অনুযায়ী আমারর শরীর দুর্বল ঠিকই, কিন্তু মৃত্যু হওয়ার মতো অবস্থা এখনও তৈরি হয়নি। দেশবাসীর কাছে আমার আর্জি আগামী ২০ জুলাই সংসদ অভিযান সফল করুন। যদি এই অভিযান সফল হয় তবেই আমি এই অনশন ভাঙতে পারব।'' কিন্তু তার আগেই তাঁকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ।
