জোর করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও অনশন ভাঙতে নারাজ শিক্ষাবিদ তথা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। এমনকী চিকিৎসা নিতেও রাজি হননি তিনি। এই অবস্থায় শনিবার সফদরজং হাসপাতালের তরফে হেলথ বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, সোনমের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে। তাঁর শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে গিয়েছে।
সফদরজং হাসপাতালের তরফে শনিবার সোনমের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বুলেটিন জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, সোনমকে হাসপাতালে ভর্তির পর শারীরিক পরীক্ষায় একাধিক উদ্বেগজনক বিষয় সামনে এসেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘ অনশনে সোনম ওয়াংচুকের শরীর অত্যন্ত দুর্বল। তাঁর শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে গিয়েছে, শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি শুরু হয়েছে। রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সূচক আপাতত স্থিতিশীল হলেও স্বাভাবিক নয়। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল ডিহাইড্রেশন ও পটাশিয়াম কমে যাওয়া।
দীর্ঘ অনশনে সোনম ওয়াংচুকের শরীর অত্যন্ত দুর্বল। তাঁর শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে গিয়েছে, শরীরে পটাশিয়ামের ঘাটতি শুরু হয়েছে। রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সূচক আপাতত স্থিতিশীল হলেও স্বাভাবিক নয়।
এর পাশাপাশি সোনমের রক্তে কিটোনের পরিমাণও উদ্বেগজনক। সকালে কিটোনের মাত্রা যেখানে ১+ ছিল, দুপুর গড়ানোর পর তা ৩+ হয়েছে। উনি যদি অনশন না ভাঙেন তাহলে বিপদ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অনশন করার জেরে তাঁর শরীরে জল ও ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে। পটাশিয়ামের মাত্রা যদি আরও কমে সেক্ষেত্রে হৃদযন্ত্র, স্নায়ুতন্ত্র এবং পেশির কার্যকারিতা বন্ধ হতে পারে। এই অবস্থায় চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর কড়া নজর রাখছেন।
তবে পরিস্থিতি যতই গুরুতর হোক এখনও অনশনে অটল সোনম। স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয়েছে, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর সোনমকে IV ফ্লুইড দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি তা নিতে অস্বীকার করেছেন। এমনকী কোনও ওরাল ওষুধ গ্রহণেও রাজি হননি তিনি। যার অর্থ এখনও অনশন প্রত্যাহার করেননি সোনম। এই অবস্থায় তাঁর স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি হচ্ছে বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকরা।
