shono
Advertisement
Supreme Court

শুধুমাত্র হিন্দু-শিখ-বৌদ্ধরাই তফসিলি তকমার আবেদন করতে পারবেন, মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

এক মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি পি কে মিশ্র ও এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ এমনটাই জানিয়েছে।
Published By: Biswadip DeyPosted: 01:47 PM Mar 24, 2026Updated: 03:08 PM Mar 24, 2026

যাঁরা হিন্দু, বৌদ্ধ ও শিখ ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হন, তাঁরা তফসিলি তকমার আবেদন করতে পারবেন না। এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতি আইনের অধীনে তাঁরা সুরক্ষাও চাইতে পারবেন না। মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, কেবলমাত্র হিন্দু-শিখ-বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাই তফসিলি তকমার আবেদন করতে পারবেন। এক মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি পি কে মিশ্র ও এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ এমনটাই জানাল। বহাল রাখল এই মামলায় অন্ধ্রপ্রদেশ হাই কোর্টের রায়। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, আনন্দ নামের এক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারকের অভিযোগ ছিল, তিনি খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী হওয়ার পর থেকে নিগ্রহের মুখে পড়ছেন। এমনকী তাঁকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। তফসিলি জাতি-উপজাতির উপরে হওয়া নির্যাতনের মতোই নানা ভাবে নির্যাতিত হতে হয়েছে তাঁকেও। আর তাই তিনি তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে তিনি মামলা করেন।

শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, কেবলমাত্র হিন্দু-শিখ-বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরাই তফসিলি তকমার আবেদন করতে পারবেন। এক মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি পি কে মিশ্র ও এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ এমনটাই জানাল।

কিন্তু অভিযুক্তের দাবি ছিল, আনন্দ যেহেতু খ্রিস্ট ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তাই তিনি ওই আইনে মামলা করতে পারেন না। তদন্ত চলার পর চার্জশিট পেশ করা হয় আনন্দের বিরুদ্ধে। তখন তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অভিযোগ খারিজ করার আবেদন জানিয়ে। কিন্ত উচ্চ আদালত অভিযুক্তের পক্ষেই রায় দেয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন আনন্দ।

সেই মামলার শুনানিতেই মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ''হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ ধর্ম ব্যতীত অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি তফসিলি জাতির সদস্য হতে পারবেন না। অন্য কোনও ধর্মে ধর্মান্তরিত হলে তফসিলি জাতির মর্যাদা লুপ্ত হয়।'' পাশাপাশি আবেদনকারীর প্রসঙ্গও জানিয়ে দেওযা হয়েছে, আনন্দ খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ফের নিজের আগের ধর্মে ধর্মান্তরিত হননি এবং মেদিকা সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্তও হননি। ঘটনার সময়ও তিনি একজন খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীই ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন ধর্মপ্রচারক, যিনি রবিবারের প্রার্থনাও পরিচালনা করেন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এটা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই, সেই সময় তিনি একজন খ্রিস্টানই ছিলেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement