shono
Advertisement

Breaking News

TCS Nashik Case

'মহিলা কর্মীদের হোটেলে ডাকা হত', টিসিএস ধর্মান্তরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত 'এইচআর প্রধান' নিদা খান পলাতক

এবার এক প্রাক্তন কর্মী দাবি করলেন, নাসিক অফিসের ডেস্কটিকে অফিসের কাজের জন্য নয়, বরং নারী সহকর্মীদের হেনস্তা করার জন্য ব্যবহার করতেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এমনকী মহিলাদের নোংরা ইঙ্গিত করে হোটেল ডাকা হত।
Published By: Kishore GhoshPosted: 09:05 AM Apr 17, 2026Updated: 02:32 PM Apr 17, 2026

নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) ধর্মান্তরণ কাণ্ডে (TCS Nashik Case) প্রতিদিন উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবার এক প্রাক্তন কর্মী দাবি করলেন, নাসিক অফিসের ডেস্কটিকে অফিসের কাজের জন্য নয়, বরং নারী সহকর্মীদের হেনস্তা করার জন্য ব্যবহার করতেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এমনকী মহিলাদের নোংরা ইঙ্গিত করে হোটেল ডাকা হত। এদিকে টিসিএস ধর্মান্তরণ বিতর্কে দেশজুড়ে হইচই শুরু হতেই অন্যতম অভিযুক্ত 'এইচআর প্রধান' নিদা খান পলাতক বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

সূত্রের খবর, নিদা খান দাপ্তরিক ভাবে এইচআর প্রধান পদে ছিলেন না, তিনি টেলিকলার হিসাবেই সংস্থায় যোগ দেন। যদিও কার্যক্ষেত্রে এইচআর প্রধানের কাজ করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি একটি চক্রের হয়ে 'কর্পোরেট জেহাদ'-এর কাজ করতেন। সংস্থার মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করতেন। এমনকী হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করতেন বলেও অভিযোগ। জবরদস্তি একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের জন্য চাপ দিতেন বলেও অভিযোগ। এদিকে টিসিএসের এক প্রাক্তন কর্মীর দাবি করছেন, “অভিযুক্তদের কথাবার্তার ধরণ ছিল অত্যন্ত অশালীন। মেয়েদের টিএল ডেস্কে ডেকে এমন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করা হত, যা কোনও পেশাদার বা বাণিজ্যিক অফিসে অকল্পনীয়।” 

উল্লেখ্য, যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ আইটি জায়েন্ট সংস্থার নাসিক কেন্দ্রের বেশ কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ এনেছেন টিসিএসের কমপক্ষে ন’জন মহিলা কর্মী। এই বিষয়ে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা গিরিশ মহাজনের দাবি, “কোম্পানির চার-পাঁচজন মুসলিম কর্মী এবং কিছু কর্মকর্তা চাকরি, ভালো বেতনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মেয়েদের প্রলুব্ধ করেছিল।” তিনি আরও দাবি করেন, মহিলাদের “নমাজ পড়তে ও রোজা রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল।” গোট ঘটনায় মুখ পুড়েছে ভারত বিখ্যাত তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থার। ইতিমধ্যে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে তদন্তে নেমেছে নাসিক পুলিশ।

যৌন নির্যাতন, মানসিক হেনস্তা এবং ধর্মান্তরণের অভিযোগ আইটি জায়েন্ট সংস্থার নাসিক কেন্দ্রের বেশ কিছু কর্মীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ এনেছেন টিসিএসের কমপক্ষে ন’জন মহিলা কর্মী।

একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফআইআর করেছেন ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সি টিসিএস-এর মহিলা কর্মীরা। গত দুই থেকে তিন বছর ধরে তাঁদের উপর নির্যাতন চলেছে বলে অভিযোগ। গ্রেপ্তার হওয়া ছয় অভিযুক্তের মধ্যে টিসিএসের ইঞ্জিনিয়ার পদমর্যাদার আধিকারিকও রয়েছেন। আরও কয়েক জনের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। প্রয়োজনে তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হবে। এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, শ্লীলতাহানি ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে টিসিএসের বিভিন্ন পদে থাকা আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং অশ্বিন চাইনানিকে।

বৃহস্পতিবার নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (টিসিএস) ধর্মান্তর বিতর্ক সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। ওই আবেদনে বলে হয়েছে, বিষয়টি জেনে গোটা দেশ চমকে উঠেছে। এই ধরনের কাজ ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে’র আওতায় পড়ে। ‘অবৈধ ধর্মান্তর’ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিক কেন্দ্র ও রাজ্যগুলি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement