নৃশংস নির্যাতনের পর গাছে বেঁধে জীবন্ত জ্বালিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন তিনি। অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন ভয়ংকর নির্যাতনের শিকার হওয়া ২৮ বছরের ইনফ্লুইয়েন্সর মনজিৎ কৌরের। শুক্রবার পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে চণ্ডীগড়ের এক হাসপাতালে গত ২৬ আগস্ট চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।
ঘটনার সূত্রপাত গত ৩ জুলাই। মনজিৎকে দেখা করতে বলেছিলেন তাঁর পরিচিত দুই যুবক। অভিযোগ, মনজিৎ তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সেখানে জোর করে তাঁকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মোরিন্ডা নামে এক জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। এখানেই থামেনি দুষ্কৃতীরা। মনজিৎকে গাছে বেঁধে তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৯ জুলাই ণ্ডীগড়ের পিজিআইএমইআরে স্থানান্তর করা হয় মনজিৎকে।
হাসপাতালে দীর্ঘদিন অচৈতন্য অবস্থায় ছিলেন মনজিৎ। গত ৫ আগস্ট জ্ঞান ফিরলে পরিবারকে সেদিনের ঘটনার কথা জানান নির্যাতিতা।
জানা যাচ্ছে, হাসপাতালে দীর্ঘদিন অচৈতন্য অবস্থায় ছিলেন মনজিৎ। গত ৫ আগস্ট জ্ঞান ফিরলে পরিবারকে সেদিনের ঘটনার কথা জানান নির্যাতিতা। পরিবারের দাবি, মনজিৎ পুলিশের কাছে বয়ান দিতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই বয়ান সময়মতো রেকর্ড করা যায়নি। এদিকে এই ঘটনার পরিবারের তরফে ২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
পুলিশের তরফে জানা যাচ্ছে, মনজিৎ বিবাহবিচ্ছিন্না। তাঁর ৭ বছরের এক সন্তান রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্দেহ, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে তাদের একজনের সঙ্গে লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন মনজিৎ। কোনও অশান্তির জেরে পরিস্থিতি এতটা ভয়াবহ আকার নেয়।
