shono
Advertisement
SIR

F-এর গেরো! বানান জটে প্রশ্নের মুখে ভারতরত্নের নাগরিকত্ব, বিজ্ঞানীকে নোটিস কমিশনের

২০২৮ সালে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে কর্নাটকে। সেই উপলক্ষে গত ৩০ জুন থেকে সেখানে শুরু হয়েছে এসআইআর-এর কাজ। এখানেই বিপাকে পড়েছেন ভারতরত্ন ৯২ বছর বয়সি বিজ্ঞানী অধ্যাপক সিএনআর রাও।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 02:42 PM Sep 09, 2026Updated: 02:46 PM Sep 09, 2026

রসায়নের গূঢ় তত্ত্ব নিমেষে সমাধান করেছেন তিনি। বিজ্ঞানের জগতে তাঁর অসামান্য কৃতিত্বের জন্য ভারত সরকার তাঁকে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্ন। এহেন বিজ্ঞানী সিএনআর রাও কিনা আটকে গেলেন F-এর গেরোয়। নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকে এসআইআর নোটিস পাঠাল নির্বাচন কমিশন। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

Advertisement

২০২৮ সালে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে কর্নাটকে। সেই উপলক্ষে গত ৩০ জুন থেকে সেখানে শুরু হয়েছে এসআইআর-এর কাজ। এখানেই বিপাকে পড়েছেন ভারতরত্ন ৯২ বছর বয়সি বিজ্ঞানী অধ্যাপক সিএনআর রাও। জানা যাচ্ছে, ২০০২ সালের পুরনো ভোটার তালিকায় এই বিজ্ঞানীর নাম ছিল 'Prof CNR Rao'। বর্তমান তালিকায় যে নাম রয়েছে তা হল 'Proff CNR Rao'। অর্থাৎ Prof বানানে একটি 'f' বেশি। এই বদল নজরে পড়তেই ভারতরত্নের নামে লালকালি বসিয়েছে প্রযুক্তি। নোটিস পাঠিয়ে নথিপত্র-সহ হাজিরা দিতে বলা হয়েছে বিজ্ঞানীকে। হাজিরা দিতে হবে মালেশ্বরের ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স (IISc)-র দপ্তরে। এ বিষয়ে রাওয়ের দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, "আমরা এখনও এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে কোনও নোটিস পাইনি। হতে পারে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে এই ত্রুটি দেখানো হয়েছে। তবে অধ্যাপকের নামের বানান ছাড়া অন্য কোনও সমস্যা নেই।"

২০০২ সালের পুরনো ভোটার তালিকায় এই বিজ্ঞানীর নাম ছিল 'Prof CNR Rao'। বর্তমান তালিকায় যে নাম রয়েছে তা হল 'Proff CNR Rao'। অর্থাৎ Prof বানানে একটি 'f' বেশি।

১৯৩৪ সালে বেঙ্গালুরুতে জন্ম বিজ্ঞানী সিএনআর রাওয়ের। ১৯৭৬ সালে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স (IISc)-এ সলিড স্টেট ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ১৯৮৪-৯৪ সাল পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর ছিলেন তিনি। কর্মজীবনে তাঁর ১৬০০-র বেশি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানের দুনিয়ায় অসামান্য কৃতিত্বের জন্য ২০১৪ সালে তাঁকে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ভারতরত্নে সম্মানিত করে কেন্দ্রীয় সরকার। এবার তাঁর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, কর্নাটকে এই ঘটনা অবশ্য প্রথম নয়। শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা রাখা পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপ্ত হরেকলা হাজাব্বাকেও এসআইআর নোটিস পাঠিয়েছে কমিশন। পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার মাত্র ৬ বছর পর তাঁকে এসআইআর নোটিস পাঠানো হয়েছে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর স্থানীয় গ্রামপঞ্চায়েতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। কমলালেবু বিক্রির টাকায় স্কুল তৈরি করেছিলেন হরেকলা হাজাব্বা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement