shono
Advertisement

Breaking News

Ram Mandir CEO Job

আপনি কট্টর হিন্দু নাকি..., আমিষ খান না নিরামিষাশী? রাম মন্দিরের সিইও পদপ্রার্থীদের প্রশ্নবাণ!

একাধিক সংবাদমাধ্য়মের খবর অনুযায়ী, এই পদে প্রায় ৫ হাজার ২০০টি আবেদন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে ১৮ জনকে বাছাই করেছে ট্রাস্ট। সূত্রের খবর, চূড়ান্ত বিবেচনায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন প্রাক্তন আইএএস, একজন প্রাক্তন আইপিএস এবং চারজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 04:15 PM Aug 12, 2026Updated: 05:10 PM Aug 12, 2026

রাম মন্দিরে প্রণামী চুরি বিতর্কে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। আতস কাঁচের নিচে রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের ভূমিকা। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের ভাবমূর্তি বাঁচাতে এবং অনুদানের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছ্বতা আনতে মন্দিরে পেশাদার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (CEO) নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাস্ট। সেখানেও ফের বিতর্ক। অভিযোগ, ইন্টারভিউতে চাকরিপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত প্রশ্ন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ইন্টারভিউতে জানতে চাওয়া হয়েছে চাকরিপ্রার্থীরা কট্টর হিন্দু কি না? এমনকী তাঁদের খাদ্যাভ্যাস নিয়েও প্রশ্ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

Advertisement

একাধিক সংবাদমাধ্য়মের খবর অনুযায়ী, এই পদে প্রায় ৫ হাজার ২০০টি আবেদন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে ১৮ জনকে বাছাই করেছে ট্রাস্ট। সূত্রের খবর, চূড়ান্ত বিবেচনায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন প্রাক্তন আইএএস, একজন প্রাক্তন আইপিএস এবং চারজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী। মঙ্গলবার রাম মন্দিরের শীর্ষ পদে নিয়োগের জন্য মোট আটজনের ইন্টারভিউ নেওয়া হয়। প্রতিটি ইন্টারভিউ চলেছিল প্রায় ৪০ থেকে ৫০ মিনিট ধরে। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইন্টারভিউতে চাকরিপ্রার্থীদের একাধিক ব্যক্তিগত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। সেগুলি হল - আপনি কি একজন কট্টর হিন্দু নাকি কেবলই হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী? আপনার কি পৈতে আছে? আপনি কি টিকি রাখেন? আমিষ খান না নিরামিষাশী?

এছাড়াও পদপ্রার্থীরা মদ্যপান করেন কি না, তা-ও জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল বলে খবর। সূত্র মারফত আরও জানা গিয়েছে, আবেদনকারীদের হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি নিয়েও মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল। জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল - চাকরিপ্রার্থীরা সেই রীতিনীতি অনুসরণ করেন কি না। তবে ব্যক্তিগত প্রশ্ন ছাড়াও তাঁদের নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতা, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং রাম মন্দিরের বিষয়ে তাঁদের লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনার ভিত্তিতেও মূল্যায়ন করা হয় বলে সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে, চাকরিপ্রার্থীদের সংবাদমাধ্যমে মুখ না খোলারও নির্দেশ দিয়েছে ট্রাস্ট।

উল্লেখ্য, রাম মন্দিরে চুরি কাণ্ডে এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেয়নি উত্তরপ্রদেশ সরকারের গঠন করা সিট। তবে সিট সূত্রের খবর, ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সচিব চম্পত রাইকে ওই রিপোর্টে সেভাবে দোষী হিসাবে ধরা হয়নি। তবে অনেক বেশি কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে মন্দিরের নির্মাণের দায়িত্বে থাকা অনিল মিশ্রকে। সিট কবে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement