shono
Advertisement
Woman Reservation Bill

কেন্দ্রের যাবতীয় প্রচেষ্টা ব্যর্থ! লোকসভায় পাশ হল না মহিলা সংরক্ষণ বিল

দু'দিন ধরে আলোচনার পর শুক্রবার বিলটি পেশ হলে বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ২৯৮টি। অন্যদিকে বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 07:50 PM Apr 17, 2026Updated: 08:53 PM Apr 17, 2026

পর্যাপ্ত সমর্থন না মেলায় লোকসভায় পাশ হল না মহিলা সংরক্ষণ ও লোকসভায় আসনবৃদ্ধি সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। দু'দিন ধরে আলোচনার পর শুক্রবার বিলটি (Women Reservation Bill) পেশ হলে বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ২৯৮টি। অন্যদিকে বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। ভোটাভুটিতে অংশ নিয়েছিলেন ৫২৮ জন সাংসদ। বিলটি পাশ করাতে প্রয়োজন ছিল দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন অর্থাৎ ৩৫২টি ভোটের।

Advertisement

তিন দিনের বিশেষ অধিবেশনে তিনটি বিল পাশ করাতে সক্রিয় ছিল যার প্রথমটি ছিল, লোকসভা ও বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণ। এই বিলের নাম ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’। দ্বিতীয়টি ছিল, লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস বিল। এবং তৃতীয়টি ছিল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল। তবে বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, মহিলা সংরক্ষণের মোড়কে ভারতের ভোট মানচিত্র বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে মোদি সরকার। বিলটির বিরোধিতায় একজোট হয় বিরোধী শিবির। ভোটাভুটি চলাকালীন বিলটির পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়লেও বিপক্ষে পড়ে ২৩০টি। দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন না মেলায় শেষ পর্যন্ত পাশ করানো যায়নি বিলটি।

বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ২৯৮টি। অন্যদিকে বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। ভোটাভুটিতে অংশ নিয়েছিলেন ৫২৮ জন সাংসদ। বিলটি পাশ করাতে প্রয়োজন ছিল দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন অর্থাৎ ৩৫২টি ভোটের।

বিল যে পাশ হবে না সে আভাস আগেই পেয়েছিল সরকার পক্ষ। শেষ বক্তা অমিত শাহ বিরোধীদের মহিলা বিরোধী বলে তোপ দাগার পাশাপাশি বলেছিলেন, "আমাদের উপর ভরসা রাখুন। বিল পাশ করতে দিন।" তবে বিলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, "এই বিল ছিল মহিলাদের উন্নয়ন বিল। যা হল সেটা নারী শক্তির বিরোধিতা।" অন্যদিকে পালটা কংগ্রেস সাংসদ প্রয়াঙ্কা গান্ধী বলেন, "যাদের গায়ে হাতরাসের দাগ লেগে রয়েছে তাদের থেকে মহিলাদের উন্নয়নের কথা শুনব না।"

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’ বিল পাশ হয়েছিল সংসদে। বিলে উল্লেখিত ছিল, মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। সেখানে আরও বলা হয়েছিল, জনগণনার পরে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। তারপর ওই আসনের ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষিত রাখা হবে মহিলাদের জন্য। কিন্তু এখন কেন্দ্র আর জনগণনার অপেক্ষা করছে না। মোদি সরকার চাইছে, ২০১১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হবে। সেই পুনর্বিন্যাসের ভিত্তিতেই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষিত করা হবে। সেটারই বিরোধিতায় একজোট ইন্ডিয়া শিবির।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement