ভোটমুখী বাংলায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের টাঙানো হোর্ডিং সমস্যায় জেরবার সল্টলেক-সহ গোটা কলকাতা। মহানগরীর মোড়ে মোড়ে লোহার ফ্রেমে আটকানো হোর্ডিংয়ের জেরে ঢাকা পড়েছে গিয়েছে 'সিগনাল'। ফলে যাতায়াতে লাল-হলুদ-সবুজের ব্যবধান বুঝতে বেগ পেতে হচ্ছে বাহন চালকদের।
অবৈধ হোর্ডিংয়ের বিরোধিতায় কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ আইনজীবী কুণাল চক্রবর্তী। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনগুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চে।
শুধু তাই নয়, অবৈধভাবে টাঙানো এই সমস্ত হোর্ডিংয়ে আটকেছে কারও জানলা, কারও দরজা। ফলে প্রকৃতির উন্মুক্ত আলো বাতাস থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে আমজনতাকে। যা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ আইনজীবী কুণাল চক্রবর্তী। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনগুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চে।
কুণাল চক্রবর্তীর আইনজীবী দীপ্তাংশু কর জানান, "বিধাননগর, সল্টলেক, সহ কলকাতায় যত্র-তত্র বিজ্ঞাপন নিয়ে আগেও মামলা দায়ের হয়েছিল হাই কোর্টে। আদালত ওই সমস্ত বেআইনি বিজ্ঞাপন খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই মামলাও বিচারাধীন। তার পরও শহরের 'হোর্ডিং' রোগ সারছে না। যেখানে সেখানে হোর্ডিং নিয়ে সাধারণ মানুষকে সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। তাই অবিলম্বে বেআইনি হোর্ডিং খুলতে, আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে।"
আইনজীবীর দাবি, "কোনও অনুমতি, কোন টেন্ডার ছাড়াই এই সমস্ত 'হোডিং' টাঙানো হয়েছে। এমনকি যাদের বাড়ির সামনে টাঙানো হয়েছে তাঁদের সাথেও কথা বলা হয় নি। তাই আদালত যাতে বৈধভাবে টেন্ডার করে 'হোডিং' টাঙানো হয়েছে কিনা তার নথি দেখুক। আরও দাবি, "ভোটের সময় এই সমস্ত যেসব 'হোর্ডিং' টাঙানো হয়েছে পরে সেই জায়গাতেই বাণিজ্যিক হোর্ডিং বসে যায়।
