shono
Advertisement
Hastings

বাতিস্তম্ভের আলো ভেঙে মাথায়, হেস্টিংসে খেলার মাঝেই মর্মান্তিক মৃত্যু শিশুর

দেহ উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের লোকজনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
Published By: Sayani SenPosted: 09:56 AM May 25, 2026Updated: 10:44 AM May 25, 2026

বাতিস্তম্ভের নিচে বসেই খেলা করত সে দিনরাত। ওই জায়গাটি ছিল তার সবচেয়ে পছন্দের। আর সেখানেই বিপদ। বাতিস্তম্ভের আলো ভেঙে মাথায় পড়ে অঘটন। শেষ পর্যন্ত প্রাণহানি শিশুকন্যার। হেস্টিংসের এই ঘটনায় নেমেছে শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন শিশুর মা, বাবা-সহ পরিবারের লোকজন।

Advertisement

বাতিস্তম্ভে চারটি 'নাট' থাকে। যে বাতিস্তম্ভটি থেকে আলো খুলে পড়েছে তাতে তিনটি 'নাট'ই লাগানো ছিল না বলে অভিযোগ। সে কারণেই বাতিস্তম্ভ থেকে আলো খুলে পড়েছে বলেই অভিযোগ। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে একটি 'নাট' উদ্ধার হয়েছে বলেই দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এমন অঘটন। আর তাতেই মৃত্যু হয়েছে খুদের।

জানা গিয়েছে, নিহত শিশুকন্যার নাম গুড়িয়া। বছর সাতেক বয়স তার। সোমবার সকাল সাতটা নাগাদ ওই বাতিস্তম্ভের নিচে বসে খেলা করছিল। আচমকাই আলো খুলে পড়ে। সেই সময় খুদে নিচেই ছিল। তার মাথার উপর আলো পড়ায় রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে। রাস্তায় অচৈতন্য অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে সে। পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে খবর পৌঁছয় হেস্টিংস থানায়। তড়িঘড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তবে ততক্ষণে খুদের মৃত্যু হয়েছে। তার দেহ উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের লোকজনের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

বাতিস্তম্ভে চারটি 'নাট' থাকে। যে বাতিস্তম্ভটি থেকে আলো খুলে পড়েছে তাতে তিনটি 'নাট'ই লাগানো ছিল না বলে অভিযোগ। সে কারণেই বাতিস্তম্ভ থেকে আলো খুলে পড়েছে বলেই অভিযোগ। এই দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে একটি 'নাট' উদ্ধার হয়েছে বলেই দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এমন অঘটন। আর তাতেই মৃত্যু হয়েছে খুদের।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement