shono
Advertisement
Mukul Roy Death

'বঙ্গ রাজনীতিতে একটা যুগের অবসান', তৃণমূলের জন্মসঙ্গী মুকুলের প্রয়াণে স্মৃতিচারণায় অভিষেক

এক্স হ্যান্ডেলে শোক প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। 
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 10:26 AM Feb 23, 2026Updated: 12:28 PM Feb 23, 2026

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মুকুল রায়ের মৃত্যুতে (Mukul Roy Death) শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন, 'বঙ্গ রাজনীতিতে একটা যুগের অবসান'। তৃণমূলের জন্মসঙ্গীর মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও পরিজনকে সমবেদনা জানালেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। জানা গিয়েছে, মুকুলপুত্রকে ফোনও করেছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে শোক প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। 

Advertisement

 

তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন মুকুল রায়। তিনি যে দলের একটি স্তম্ভ ছিলেন তা বলাই বাহুল্য। পরবর্তীতে বদলেছে একাধিক সমীকরণ। ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মশিবিরের শরিক হয়েছিলেন তিনি। যদিও পরবর্তীতে ঘর ওয়াপসিও হয়। মৃত্যুর পর তৃণমূলে তাঁর ভূমিকার কথাই মনে করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লিখলেন, 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের এক স্তম্ভ ছিলেন। সংগঠনের সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।' সেখানেই পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন অভিষেক। জানা যাচ্ছে, মুকুল রায়ের মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পরই তাঁর ছেলে শুভ্রাংশুকে ফোন করেছিলেন অভিষেক। বড় দাদার মতো কঠিন পরিস্থিতিতে মুকুলপুত্রকে সামলেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই বঙ্গ রাজনীতির বহু নেতা তাঁর মৃত্যুকে শোকজ্ঞাপন করেছেন। তাঁর বাড়ির কাছে ভিড় জমিয়েছেন অনুগামীরা।

১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই ত্রিপুরা, অসম-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও নিজেদের বীজ বপন করে ঘাসফুল। রেলমন্ত্রী ছিলেন তিনি। বিধায়ক পদও সামলেছেন। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালে ফের ফেরেন তৃণমূলে।

উল্লেখ্য, কংগ্রেসের হাত ধরেই ছাত্র রাজনীতিতে উত্থান মুকুল রায়ের। ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই কংগ্রেস ছেড়ে চলে আসেন তৃণমূলে। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচড়াপাড়া থেকে দিল্লির রাজনীতি। মুকুল রায়ের কর্তৃত্ব দেখেছে দেশ। সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁর অভিভাবকত্বে রকেটের মতো ছুটেছে তৃণমূল। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলা তো বটেই ত্রিপুরা, অসম-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতেও নিজেদের বীজ বপন করে ঘাসফুল। রেলমন্ত্রী ছিলেন তিনি। বিধায়ক পদও সামলেছেন। ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালে ফের ফেরেন তৃণমূলে। তবে তারপর আর তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement