আরও বিপাকে তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ (Sushanta Ghosh)। এবার নথি জাল করে সাড়ে তিন লক্ষ টাকায় ফুটপাথের দোকান বিক্রির অভিযোগে দায়ের হল এফআইআর। আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন কসবার রাজডাঙ্গা স্কুল রোডের এক বাসিন্দা। এফআইআরে নাম রয়েছে আরও ৪ জনের।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত ২০২২ সালের নভেম্বরে। অভিযোগকারীর একটি দোকানের প্রয়োজন ছিল। সেই সুযোগকেই কাজে লাগান সুশান্ত ও তাঁর শাগরেদরা। অভিযোগকারীকে আনন্দপুর রোডের রুবি ক্রসিংয়ের কাছে ফুটপাথে একটি সাত ফুটের দোকান পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য পুরসভার জাল লাইসেন্স দেখানো হয়। বুঝতে না পেরে জালিয়াতির ফাঁদে পড়ে অভিযুক্তদের মোটা টাকা দিয়ে দেন অভিযোগকারী। টাকা সংগ্রহের পর অভিযুক্তরা উলটো সুর গাইতে শুরু করে। অভিযোগ, যে দোকানের কথা ছিল তার পরিবর্তে ভয় দেখিয়ে জোর করে অন্য একটি চার ফুটের দোকানের চাবি ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ছোট ঘরটি মূলত রুবি মার্কেট কমিটি অ্যাম্বুলেন্স রুম হিসেবে ব্যবহার করত। এছাড়াও, এর কোনও সরকারি লাইসেন্সও ছিল না।
এতদিন অভিযোগকারী কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ (Sushanta Ghosh) ও তার সহযোগীদের ভয় মুখ খুলতে পারেননি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতারিত ব্যবসায়ী আনন্দপুর থানায় যান। সুশান্ত ঘোষ-সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ দায়ের করেন। আনন্দপুর থানায় দায়ের হওয়া অন্য অভিযোগে ইতিমধ্যেই সুশান্ত ঘোষ পলাতক। এরই মাঝে নতুন মামলায় ফের নাম জুড়ল সুশান্তদের।
