shono
Advertisement
Calcutta HC

অবিলম্বে স্থগিতাদেশ চাই! গুন্ডাদমন আইন লাগু হওয়ার দিনই হাই কোর্টে মামলা

ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে চলতি সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 12:32 PM Jul 13, 2026Updated: 01:36 PM Jul 13, 2026

রাজ্যে আজ থেকেই গুন্ডাদমন আইন চালু হওয়ার কথা। নয়া আইন মেনে দুষ্কৃতীরাজ রুখতে কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। আর এমন দিনেই এই আইনের উপর অবিলম্বে স্থগিতাদেশ  চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta HC) দৃষ্টি আকর্ষণ করা হল। সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন মেনে জনস্বার্থ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে।  চলতি সপ্তাহে শুনানি হতে পারে। 

Advertisement

গত ২৯ জুন, রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’। যা সংক্ষেপে ‘গুন্ডাদমন বিল’ নামে পরিচিত। বিলের খসড়ায় বলা হয়েছে, কমিশন চাইলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণের চেয়েও দ্বিগুণ ‘দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ’ বা জরিমানা চাপাতে পারে। এখানেই শেষ নয়, বর্তমানে যে আইন রয়েছে তা অন্তত এই বাংলায় আইনের শাসন কায়েম করে রাখার পক্ষে যথেষ্ট নয়। বিলে পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থাকে বিপুল ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। কারণ তৃণমূল জমানায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ, গুন্ডামি যে চরম মাত্রায় পৌঁছেছিল তা ঠান্ডা করতে বাড়তি দাওয়াই দরকার। প্রস্তাবিত নতুন বিল হল সেই দাওয়াই। বিলটি ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে আইনে পরিণত হয়। রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, ১৩ জুলাই থেকে তা রাজ্যজুড়ে কার্যকর হচ্ছে।

আর সেইদিনই গুন্ডাদমন আইনে সংবিধান বিরোধিতার অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। সিপিএমের আইনজীবী নেতা তথা মামলাকারী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, এই আইন কার্যত গায়ের জোরে লাগু করতে চাইছে বিজেপি সরকার। সন্দেহের বশে কাউকে গ্রেপ্তার করা সংবিধান ও মানবাধিকার বিরোধী।তাই অবিলম্বে তাতে স্থগিতাদেশ চাই। তাঁর এই আবেদনে সাড়া দিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে। চলতি সপ্তাহে শুনানি হতে পারে। 

অন্যদিকে, গুন্ডাদমন আইন লাগু হওয়ায় আশাপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এদিন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘এটা খুব দরকার ছিল। ৩৪ বছর কমিউনিস্ট হার্মাদদের সরকার ছিল, তারপর ১৫ বছর তৃণমূলী গুন্ডাদের সরকার। তাদের আমলে যারা দিকে দিকে গুন্ডামি, তোলাবাজি করে পার পেয়ে গিয়েছে, তাদের জব্দ করার জন্য এই আইনের খুব দরকার ছিল। বিধানসভায় আমরা আইন পাশ করিয়েছি, রাজ্যপাল অনুমোদন দিয়েছেন।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement