এসআইআরের গেরোয় ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ। তার ফলে আইআইটি কানপুরে পিএইচডিতে আটকে ভর্তি। এমনই এক প্রার্থীর দ্রুত স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর আপিল ট্রাইব্যুনালকে দ্রুত বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আগামী এক সপ্তাহে ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারীর আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আইআইটি কানপুরের পদার্থবিদ্যা বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন আয়ান নওয়াজ। কিন্তু ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ায় এবং এসআইআর আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল বিচারাধীন থাকায় ভর্তি প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে। যাতে ভর্তিতে কোনও সমস্যা না হয় তাই তিনি আদালতের কাছে ট্রাইব্যুনালকে দ্রুত আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়ার আর্জি জানান। বিচারপতি রাও বলেন, এসআইআরে আপিল ঝুলে থাকার কারণেই আবেদনকারীর ভর্তি আটকে রয়েছে। সম্ভব হলে এক সপ্তাহের মধ্যে আবেদনকারীর আপিল নিষ্পত্তির আর্জি জানান তিনি।
বলে রাখা ভালো, বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআরে বিচারাধীন থাকা নামগুলি নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে ওই ট্রাইব্যুনাল গঠন করবে বলেও নির্দেশে জানানো হয়। সেই মতো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠন করা হয় ট্রাইব্যুনাল। এসআইআরে কয়েক লাখ নাম বিচারাধীন তালিকায় ছিল। যাঁদের নাম বিচারাধীন তালিকায় ছিল, তাঁরা নথি নিয়ে ট্রাইব্যুনালে আবেদন জানান। জোকায় এই ট্রাইব্যুনালের দপ্তর খোলা হয়েছে। সেখানেই বিচারাধীন থাকা নামের নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।
