shono
Advertisement

স্বচ্ছ ভারত মিশনের কাজে অভাবনীয় সাফল্য, বাংলাকে দরাজ সার্টিফিকেট দিল্লির

স্বচ্ছ ভারত মিশনের কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় সচিব। 
Posted: 10:33 AM Feb 03, 2024Updated: 10:33 AM Feb 03, 2024

স্টাফ রিপোর্টার: স্বচ্ছ ভারত মিশনের কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে কেন্দ্রীয় সচিব। গ্রামে গ্রামে শৌচাগার তৈরির কাজের অগ্রগতি দেখার পাশাপাশি জলজীবন প্রকল্পের কাজও খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। জলশক্তি মন্ত্রকের প্রধান সচিব বিনি মহাজন শুক্রবার হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার একাধিক জায়গায় যান। সেখানে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। শনিবার নবান্নে রাজ্যের মুখ‌্যসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকার সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা। লোকসভা ভোটের আগে এই দুই প্রকল্পের কাজ কতদূর এগিয়েছে, তা দেখতেই পরিদর্শন বলে জানা গিয়েছে। তবে এই দুই প্রকল্পে সে অর্থে কোনও অনিয়মের অভিযোগ ওঠেনি। বরং স্বচ্ছ ভারত মিশনের কাজে দিল্লির প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলা।

Advertisement

নবান্নের এক কর্তার কথায়, ঘরে ঘরে জল সংযোগের মতো প্রত্যেক বাড়িতে শৌচাগার তৈরির কাজও গোটা দেশে চলছে দীর্ঘদিন ধরে। বিপুল বরাদ্দের এই প্রকল্পে এ রাজ্যের অগ্রগতি কিছুটা সন্তোষজনক। ২০২০-২১ অর্থবর্ষ থেকে শুরু হয় স্বচ্ছ ভারত মিশনের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ, চলবে ২০২৪-২৫ সাল পর্যন্ত। জলশক্তি মন্ত্রক মাস তিনেক আগে রাজ্যকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, ঘরে ঘরে শৌচালয় তৈরি এবং কঠিন ও তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামো গড়ার প্রশ্নে এ রাজ্যে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অগ্রগতি ‘সেরা’-র তালিকায় জায়গা পেয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৯৮৮টির মধ্যে ২৯২৯টি গ্রামই ‘ওডিএফ-প্লাস’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অগ্রগতির শতাংশের হিসাবে তা ৯৮.০৩%। পঞ্চায়েত দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ‘ওডিএফ-প্লাস’ তকমা পেয়েছে প্রায় ২০ হাজারের বেশি গ্রাম।

[আরও পড়ুন: ট্রেন ঘোষণায় চরম বিভ্রান্তি, দেড় ঘণ্টা রেল অবরোধ বিধাননগরে]

নবান্নের কর্তারা জানাচ্ছেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস বা একশো দিনের কাজের প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ এখনও বন্ধ থাকলেও, স্বচ্ছ ভারত মিশন-সহ অন্য একাধিক প্রকল্পে তা চালু রয়েছে। মিশনভিত্তিক এই প্রকল্পে অর্থের অভাবও নেই। শুক্রবারই জলজীবন মিশন প্রকল্পে প্রায় হাজার কোটি টাকা পেয়েছে বাংলা। আধিকারিকেরা জানাচ্ছেন, স্বচ্ছ ভারত মিশন প্রকল্পে ২০১৯ সালের ২ অক্টোবরের মধ্যে গোটা দেশের গ্রামীণ গৃহস্থালিগুলিতে শৌচালয় তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র। এর সঙ্গে স্থির হয়, কঠিন এবং তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামোও গড়ে তোলা হবে গ্রামে গ্রামে।

একে সামনে রেখেই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়। এই অবস্থায় এর আগেও সব জেলা প্রশাসনকে কাজে গতি আনার জন‌্য সতর্ক করেছে নবান্নের শীর্ষ মহল। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় কাজও চলছে দ্রুতগতিতে। রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, ‘‘আবাসের জন‌্য প্রথমে ৬৯টা তারপরে আরও সাতটা টিম এসেছে। তাতেও  টাকা দেয়নি। ওরা এবার শৌচালয় দেখতে এসেছে। এসেছে যখন শৌচালয় দেখে যাক। আমরা ওদের শৌচালয় ঘুরিয়ে দেখাব।’’

[আরও পড়ুন: ইনসুলিন পাচ্ছেন না বালু! গারদে বসে চেক ইস্যুর ‘আবদার’ বাকিবুরের]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement